পুঁজিবাজারে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে রবিবার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনকৃত ৩০৮টি কোম্পানির মধ্যে ৭৮ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে ৭৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর। এ দিকে, বাজারে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমলেও লেনদেন বেড়েছে।
তথ্যে দেখা গেছে—রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪১ কমে ৪ হাজার ৪৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৬ কমে ১ হাজার ৬৯৬ দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩১১ কোটি ৬১ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ২৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ারদর।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০১ কমে ১৩ হাজার ৫৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৮২ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ১৬ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৯টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে—গত কয়েক দিন ধরে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসলেও তা কতটা স্থায়ী বিনিয়োগকারীরা তা বিবেচনা করছেন। এ জন্য এখনো সূচকে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে না। দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে টেলিকমিউনিকেশন ও সিমেন্ট খাতের শেয়ারগুলো এগিয়ে ছিল। আর দর কমার ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল সাধারণ বিমা খাতের কোম্পানিগুলো।
এ দিকে, লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল জ্বালানি খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১১৮ কোটি টাকা, যা বাজারের মোট লেনদেনের ৩৮ শতাংশ।
রবিবার থেকে লেনদেন শুরু হয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির। এই দিন কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ৭৯ কোটি ১৬ লাখ টাকার, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের এক চতুর্থাংশেরও বেশি।
