নোয়াখালীতে গুলিতে শিবির নেতার মৃত্যু

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৫, ১৫:৩৩
কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহালের প্রতিবাদ ও হরতালের সমর্থনে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গুলিতে ছাত্র শিবিরের সাথী ও নোয়াখালী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি ওমর ফারুক (২০) নিহত হন হন। এ সময় ছাত্র শিবির ঝটিকা মিছিল চলছিল।  
 
সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহর মাইজদীতে একটি সিনেমা হলের পাশের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
 
 
নিহত ওমর ফারুক সদর উপজেলার উত্তর কাদির হানিফ গ্রামের নূরুল আলিমের ছেলে। তিনি শহরের পাবলিক কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ঘটনার  সময় পুলিশ  গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওমর ফারুক (২০) রাকিব (২১) ও রাসেল (২২) নামের তিন শিবির কর্মীকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশ আহতদের  নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারুককে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন, সুধারাম থানার ওসি আনোয়ার হোসেন। 
 
এ দিকে পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ জানান, ১০-১৫ জন শিবির কর্মীর ঝটিকা মিছিল থেকে গাড়ি ভাংচুর চেষ্টা,  টহল পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপ ও  গুলি চালিয়ে  হামলা চালায় শিবির কর্মীরা। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য শটগানের গুলি ছুড়লে দুইজন গুলিবিদ্ধ ও একজন গ্রেফতার  হয়। পরে আহত দুই জনকে হাসপাতালে নেয়ার পর ছাত্রশিবির নেতা ফারুক মারা যান। গ্রেফতারকৃত অপর দুই জনের মধ্যে রাকিব শহরের  মাইজদী বাজার এলাকার আবু তাহেরের পুত্র ও রাসেল বেগমগজ্ঞ উপজেলার  একাব্বরপুর গ্রামের নূরুল কাদেরের পুত্র। রাসেল নোয়াখালী কলেজের ছাত্র।  
এ ঘটনার পর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।