নগরীতে সোমবার কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে হাঁটু থেকে কোমড় পানিতে তলিয়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। টানা ভারী বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়ে সাধারণ মানুষ। যানবাহন চলাচলও সীমিত হয়ে পড়ে। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, প্রতিবছর এ সময়ে কালবৈশাখী ঝড় হয়ে থাকে। কালবৈশাখীর প্রভাবে সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। সাত ঘণ্টায় ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির এ ধারা মঙ্গলবারও অব্যাহত থাকতে পারে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। থেমে থেমে সারাদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকে। এতে নগরীর নিচু অঞ্চলগুলো পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। নগরীর আগ্রাবাদ, মুরাদপুর, হামজারবাগ, ষোলশহর, রৌফাবাদ, দুই নম্বর গেট, মোহাম্মদপুর, হালিশহর ও বাকলিয়া এলাকার বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমড় পর্যন্ত পানিতে ডুবে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়ে।
ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা শেষে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। রিকশা ও সিএনজি অটো-রিকশাসহ হালকা যানবাহনগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করতে দেখা যায়। মুরাদপুর ও ২নং গেইট এলাকার প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতায় গণপরিবহনসহ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
