পাবনার চাটমোহর উপজেলা পরিষদের সকল বিভাগীয় দপ্তরকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনতে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে সৌরবিদ্যুত্ (সোলার প্যানেল) স্থাপিত হলেও দীর্ঘ একবছরেও আলো জ্বালাতে পারছে না।
বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে সরকারের পরিকল্পনার আওতায় সারাদেশের মতো চাটমোহর উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুত্ (সৌর বিদ্যুতায়ন) ব্যবস্থার মধ্যে আনা হয় ২০১৪ সালে। মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদের সকল বিভাগীয় কার্যালয়, বাসভবনসহ সকল স্থাপনায় এই বিদ্যুত্ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু চালু করার কয়েকদিনের মধ্যেই সেটি অচল হয়ে যায়। কিন্তু কোটি টাকা ব্যয়ের এই সৌরবিদ্যুত্ প্রকল্পটি অচল হলেও তার সঠিক কোনো তথ্য কেউ দিতে পারেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদের পুরোনো দুটি ভবনের ছাদে বিশালাকৃতির পৃথক পৃথক চারটি সৌরবিদ্যুত্ প্যানেল স্থাপন করা হয়। পাবনা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-১-এর তত্ত্বাবধানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) অর্থায়নে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রো সোলার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড কাজটি বাস্তবায়ন করে। ইলেকট্রো পাওয়ার কোম্পানির প্রকৌশলী এ কে আজাদ সোলার প্যানেল স্থাপনের সময় জানিয়েছিলেন, এই সোলার প্যানেলগুলো থেকে প্রায় ৩০ কিলোওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন হবে (জেনারেশন)। সেটা দিয়ে উপজেলার সকল অফিস, বাসভবনসহ অন্যান্য স্থাপনায় বিদ্যুত্ চাহিদা মিটবে।
বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, পরিষদের পুরোনো ভবনের ছাদে চারটি সোলার প্যানেল দাঁড়িয়ে আছে।
প্রতিটি দপ্তরের কক্ষে এর সঙ্গে সংযোগ করা বৈদ্যুতিক তারও রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ সিস্টেমের কোনো সুফল আমরা পাইনি। বিষয়টি পাবনা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতিসহ সংশ্লিষ্টদের কয়েকদফা জানানো হয়েছে।’ তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকলেও পাবনা পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার মো. আবদুল মতিন এ বিষয় কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।
