এদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অভ্যন্তরীণ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা খুবই প্রয়োজন। এ জন্যে যথাযথভাবে কর কাঠামোর বিন্যাস এবং আদায়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কর আদায়ের পর যারা করদাতা রয়েছেন, তারা যেন কর দিয়ে তার সর্বোত্তম ব্যবহার ও প্রতিদান পান সেজন্যে সেবা ব্যবস্থাপনার মান উন্নত হওয়া বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়েছে। দেশে অবকাঠামোগত বিনির্মাণে গত ছয় বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
তথ্য প্রযুক্তিখাতের বিকাশ ও ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি জনগণের ক্ষমতায়নের প্রয়াস এবং প্রেরণা গ্রহণ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দরকার-দক্ষতা এবং কর্মউপযোগিতার জন্যে সক্ষমতা সৃষ্টির প্রয়াস ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত করা। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিতকরণ করা প্রয়োজন এবং তা যথাযোগ্য তদারকির মাধ্যমে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া বাঞ্ছনীয়। এজন্য পরমুখাপেক্ষী না থেকে অভ্যন্তরীণ উত্স থেকে সম্পদ আহরণ এবং তার সুষ্ঠু বণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে সুষম ব্যবস্থাপনায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়েছে। দেশে বর্তমানে উদ্যোক্তা শ্রেণি তৈরির জন্য সরকার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে অর্থায়ন পর্যন্ত করছেন। ক্রমশ ইঁদুর দৌড় প্রতিযোগিতায় জটিল থেকে জটিলতর হয়ে উঠা পরিবেশ-পরিস্থিতিতে সম্পদ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার না করতে পারলে তা দেশের কল্যাণে কাজে আসে না। সে জন্যেই ক্ষমতা সৃষ্টির জন্যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আমাদের দেশের কর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সংস্কার কার্যক্রমে পরিচালিত হচ্ছে। এই সংস্কার কর্মসূচি পরিচালনার সময়েই কিন্তু বেশ কিছু তাত্পর্যমন্ডিত উন্নীত হয়েছে। তবে যে কোন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বেগবান করতে হলে প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি সহিংসতা/ সন্ত্রাস/ জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা, নচেত্ যারা সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করেন, সে সমস্ত প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রকল্পসমূহ প্রতিদানের হার ঋণাত্মক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ সুযোগে দেশ থেকে পুঁজি পাচার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে দেশে যাতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন না হয় সেজন্যে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে। তবে পুঁজি ধর্ম হচ্ছে তারা বৈধ বা অবৈধ যে কোন উপায়েই এক দেশ থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়ে থাকে। ২০১৩ সালে যখন সহিংসতা চলছিল, তখন অর্থ পাচার হয়েছে বলে বিভিন্ন দৈনিকে বেড়িয়েছে। আসলে এক্ষেত্রে একটি মাফিয়াচক্র কাজ করে থাকে। দেশে ইতোপূর্বে দেখা গেছে জঙ্গিবাদের অর্থায়নের ফলে সাধারণ মানুষের জীবন-যাপন দুর্দশাগ্রস্ত করার প্রয়াস নেয়া হয়।
বৈদেশিক বিনিয়োগকে অনেক রাষ্ট্রে উত্সাহিত করা হয়। যে সমস্ত জায়গায় কারিগরি জ্ঞানের পর্যাপ্ত সক্ষমতা নেই সে সমস্ত জায়গায় বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়ে থাকে। কিছুদিন পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সফটওয়্যার ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর সেবার ক্ষেত্রে আয়কর অব্যাহতির সময়সীমা ২০২৪ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করার যে সুপারিশ করেছেন তা অত্যন্ত যৌক্তিক। তথ্য প্রযুক্তি খাতের ক্ষেত্রে যে নীরব বিপ্লব হচ্ছে দেশে সেখানে এটি বাস্তবায়িত হলে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে— যার সাথে কারিগরি দক্ষতা এবং আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক জ্ঞানের প্রসার ঘটবে। কেননা সময়ের বিবর্তনে তথ্য প্রযুক্তি খাতের ক্রমবিকাশ ও নবতর সংযোজন দেশের রূপকল্প ২০২১ কে সার্থক করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে অব্যাহত সুযোগ জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
এদিকে আগামী অর্থবছরে বাজেটের আকার ২.২০ লক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতি নানামুখী ট্রানজিমান (Transition)-এর মধ্যেও এগিয়ে যাচ্ছে। বাজেটের আকার বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি চলে আসে। সম্প্রতি সেটার ফর ব্র্যাক থ্রো থিংকিংইন বাংলাদেশ থেকে একটি জরিপে দেখা যায় যে, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৩১৭২ জনের মধ্যে ৭১% বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় সন্তুষ্ট, ২৩% অসন্তুষ্ট এবং ৬% কোন ধরনের মন্তব্য নেই। এই জরিপটিতে মোটামুটিভাবে ঢাকা মহানগরীর শ্রমজীবীদের উপর নভেম্বর ২০১৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৫ পর্যন্ত পরিচালনা করা হয়। জরিপে একটি প্রশ্ন ছিল, কর দেন কিনা ৭ জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মাত্র ২২% কর দেন। তবে যারা কর দেন তাদের মতামত হচ্ছে কর বাধ্য হয়ে দিতে হয়। কেননা তাদের প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে কর সরাসরি কেটে নেয়া হয়। কর দিতে গিয়ে কোন ধরনের ভোগান্তি হয় কিনা জানতে চাইলে তাদের মতামত হচ্ছে যে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা থেকেই যায়। এদিকে গত অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেখানে রাজস্ব আদায় ছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা সেখানে চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হচ্ছে ৭৯ হাজার ৮শ’ কোটি টাকা। রাজস্ব আদায়ের গতি-প্রকৃতি আগের তুলনায় বাড়ছে—এটি অবশ্যই একটি ইতিবাচক দিক। এদিকে কাস্টমস আইন-২০১৪ ঘোষণা করা হয়েছে—যা ১ জুলাই, ২০১৬ থেকে কার্যকর হবে। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় Integrated পদ্ধতি চালুর প্রয়াস নেয়া হয়েছে- এটি একটি ইতিবাচক দিক। এদেশে একটি সমস্যা হলো কর- জিডিপি অনুপাত তুলনামূলকভাবে কম। তারপর কর হার কমানোর জন্যে অনেকেই সুপারিশ করে থাকে। কর্পোরেট ট্যাক্স রেট (পাবলিকলী ট্রেড)-এর ক্ষেত্রে ২৭-৫% যেখানে নন-পাবলিকলী ট্রেড-এর ক্ষেত্রে ৩৭.৫%। সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ৪৫% অথচ পাবলিকলী ট্রেডেড কোম্পানির ক্ষেত্রে হার হচ্ছে ৪০%। মোবাইল ফোন অপারেটরের ক্ষেত্রে এটি ৪৫% যেখানে পাবলিকলী ট্রেডেড মোবাইলের ক্ষেত্রে ৪০%। এদেশে সেলস ট্যাক্স রেট হচ্ছে ১৫%। আসলে যারা দেশে পণ্য উত্পাদন করবেন তাদের ক্ষেত্রে কর কমানো দরকার। অন্যদিকে যারা বিদেশ থেকে পণ্য এনে দেশে বিক্রি করবেন তাদের ক্ষেত্রে কর বাড়ানো দরকার। এদিকে কর্পোরেট ট্যাক্স রেট বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে দেখানো হলো: অস্ট্রেলিয়া: ৩০%; ব্রাজিল: ৩৪% কানাডা: ২৬%, চীন: ২৫%; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪০%। এদিকে বিশ্ব ব্যাংকের গ্রুপের Doing business-এর রিপোর্ট অনুসারে ২০১৩-এর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের কর ব্যবস্থাপনা দেখানো হলো: কর দেয়ার ব্যাংক অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থা: ৮৩; ভারতে ১৫৬। বছরে পেমেন্ট করা: বাংলাদেশ ২১; ভারত-৩৩। সময় (বছরে ঘণ্টা হিসাবে) বাংলাদেশ-৩০২; ভারত-২৪৩। মুনাফা কর (%)-বাংলাদেশ ২৮.৬%; ভারত-২৫.৩%। শ্রমিক কর এবং কন্ট্রিবিউশন বাংলাদেশ-০.০%; ভারত-২০.৭%; অন্যান্য কর- বাংলাদেশ-৩.৯%, ভারত-১৫.৭% এবং মোট কর হার- বাংলাদেশ ৩২.৫%, ভারত-৬১.৭%।
এদেশের অর্থনীতি এখন পরমুখাপেক্ষীর শৃংখল ভঙ্গ করে বরং অর্থনৈতিক উন্নয়নের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। কেননা বৈদেশিক অনুদানও সাহায্যের পেছনে মানবিক উন্নয়নের চেয়ে সব সময়েই রাজনৈতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা নিহিত থেকে যায়। আসলে অভ্যন্তরীণ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে সম্পদে ব্যয়িত হচ্ছে কিনা সেটি দেখা হয়ে থাকে। অনেকে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক এলাকা (Special Economic Zone) এবং বাণিজ্য এলাকা (Frec Trade Zone)-এর সুপারিশ করে থাকেন। বিশেষায়িত অর্থনৈতিক এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে ভিন্ন হয়ে থাকে। বিশ্বের ১৩৫ দেশে প্রায় ৩০০০-এর অধিক মুক্ত বাণিজ্য এলাকা রয়েছে যেখানে কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়ে থাকে। এ সমস্ত অঞ্চল তৈরি করা হলে এদেশে যথাযথ তদারকী ব্যবস্থা, দেশের অভ্যন্তরস্থ শিল্প উদ্যোক্তারা যেন হতবিহ্বল না হয়, পরিদর্শন ব্যবস্থার মান উন্নত করা এবং বাণিজ্যে কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব ফুটে না ওঠে সে জন্যে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নচেত্ দাতা গোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্যে মুক্ত বাণিজ্য এলাকা গঠন করা ঠিক হবে না।
আসলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রিগ্রেসিভ ট্যাক্স হয়েছে যেমন সিগারেট, আবাসন, গাড়ি। আসলে আবাসন খাতে যে সমস্ত ফ্ল্যাট ১০০০ বর্গফুটের কম সেক্ষেত্রে কর হ্রাস করা দরকার এবং ২০০০ বর্গফুটের উপর যে ফ্ল্যাটসমূহ হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে কর হার বাড়ানো দরকার। অন্যদিকে ১১০০ সিসি-র উপর সকল ধরনের গাড়ির উপর করের হার বাড়ানো উচিত। এদিকে জনস্বার্থে সরকার যে সমস্ত প্রকল্প নিয়েছেন সেগুলোর উপর কর না বসানোই উত্তম। সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা যায় যে, ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা নির্ভর বিদ্যুত্ প্রকল্পের যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে কর আরোপ না করার জন্যে সরকারের পাওয়ার ডিভিশন থেকে অনুরোধ জানিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকের অনুরোধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে যে দীর্ঘসূত্রিতা লেগে যাবে এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পে কররোপ করা কতটুকু যৌক্তিক সেটি বিবেচ্য বিষয়।
২০১৪-১৫ সালে বাংলাদেশের ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত হচ্ছে: ৯.৭৯%; ভারতে ১৫%; পাকিস্তানে ১২%; শ্রীলংকা এবং নেপালে-১৩%, ভুটানে-১৪%। আমাদের দেশের অর্থনীতির কাঠামো যেখানে দিন দিন বড় হচ্ছে সেখানে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বড় হওয়া বাঞ্ছনীয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৭-১৮ অর্থবছর নাগাদ কর- জিডিপি অনুপাত ১৪% করতে চাচ্ছে। কর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন করার প্রয়াস গ্রহণ করা সত্ত্বেও অনেকেই কর দেয়ার ক্ষেত্রে ফাঁকি দিয়ে থাকে। কর আদায়কারীদের আরো আধুনিকতার প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রয়োজন আছে। আমাদের দেশের যে সমস্ত কোটিপতি আছেন,তাদের অনেকেই কর ঠিকমত দেন না। এক্ষেত্রে দক্ষ একাউন্টেটেন্ট এবং নিরীক্ষকদের পাশাপাশি কর আদায়কারীদের মধ্যে অলিখিত সমঝোতা থাকে। এটি ভাঙ্গা দরকার।
এদিকে আগামী অর্থবছর থেকে ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রে Uniformity আনয়নের প্রয়াস নেয়া হচ্ছে এবং ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রও বাড়ানো হচ্ছে। এটি ভাল উদ্যোগ। তবে বিভিন্ন দোকানে একই পণ্যের গায়ে স্টিকার চেঞ্জ করে দাম বাড়ানো হয় এবং পণ্যের ভ্যাট যা প্রাপ্য তার চেয়ে বেশি অনেক ক্ষেত্রে আদায় করা হয়। ক্রেতারা যাতে একই পণ্য বিভিন্ন দামে কিনে প্রতারিত না হন সে জন্যে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। এদিকে আগামী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার প্রায় ৯৫ হাজার কোটি টাকার মত হতে পারে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি যাতে মাস ভিত্তিক তদারক করে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা দরকার। কেননা প্রকল্পের কাজ ঠিক সময়মত করলে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করা যায়। আগামী অর্থবছরে সরকার ঘরে ফেরাও কর্মসূচির মাধ্যমে বস্তিবাসীদের শহর থেকে গ্রামে নিচ্ছেন এবং তাদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নিচ্ছেন। আশা করব বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের আওতায় সরকার আরো অধিক বরাদ্দ দিয়ে এ সরকারি প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন- যাতে সরকারের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়।
লেখক :ম্যাক্রোও ফিন্যান্সিয়্যাল ইকোনোমিস্ট
ই-মেইল:P.Pulbd @gmail.com
