এএফসি অনূর্ধ্ব—১৬ নারী বাছাই

মনিকার গোলে বাংলাদেশ চূড়ান্ত পর্বে

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৯, ২১:৫৬

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মেয়েদের ফুটবলের দ্বিতীয় পর্বের বাছাইয়ে পার হয়ে গেছে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট পেয়েছে। গ্রুপের দ্বিতীয় খেলায় কাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ১-০ গোলে মিয়ানমারকে হারিয়েছে। এক ম্যাচ হাতে রেখে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে উঠে গেল। এবার নিয়ে দুবার মেয়েদের এ টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বের খেলার যোগ্যতা অর্জন করল। খেলার ৬৮ মিনিটে মনিকার একমাত্র গোলটি বাংলাদেশকে মেয়েদের ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে তুলে দিয়েছে। ‘বি’ গ্রুপ হতে বাংলাদেশ ছাড়াও শক্তিশালী চীনও কাল চূড়ান্ত পর্বে ওঠা নিশ্চিত করেছে। কারণ বাংলাদেশের ম্যাচের আগে মান্দালার থ্রি স্টেডিয়ামের একই মাঠে চীন হারিয়েছে ফিলিপাইনাকে। ফিলিপাইনকে বাংলাদেশ হারিয়েছিল ১০-০ গোলে। আর চীন ৫-০ গোলে মিয়ামারকে হারিয়েছিল। বাংলাদেশ এবং চীন দুই দলই দুই খেলায় ৬ পয়েন্ট করে নিয়ে অন্য দুই দলকে বিদায় করল আর নিজেরা গ্রুপ সেরা হলো। এখন বাংলাদেশ ও চীন রবিবার পরস্পরের মুখোমুখি হবে। সেখানেই নির্ধারণ হয়ে যাবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। এ দুটি দল ছাড়াও লাওসে অনুষ্ঠিতব্য ‘এ’ গ্রুপ থেকে আরো দুটি দল চূড়ান্ত পর্বে উঠবে। চার দল ছাড়াও দুই কোরিয়া, জাপান এবং থাইল্যান্ডকে নিয়ে চূড়ান্ত পর্ব হবে।

মিয়ানমারের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবলের অভিজ্ঞতা ভালো না। টোকিও অলিম্পিক বাছাইয়ে মিয়ানমার বাংলাদেশকে ৫-০ গোলে হারিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যায়নি বাংলাদেশের মেয়েরা। গতকালকে ম্যাচের আগে বাংলাদেশ শিবিরে একটা আশঙ্কা ছিল। মিয়ানমার শক্তিশালী। নিজেদের মাঠে খেলা। দর্শক থাকবে। আগের বার হারের কথাও ভুলে যায়নি। সব মিলিয়ে একটা দ্বিধা ছিল। তাই কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন খুব সাবধানে ছিলেন। মারিয়া, মনিকা, তহুরাদের হিসেবি ফুটবল খেলতে বলেছিলেন।

ফিলিপাইনের বিপক্ষে যেভাবে ১০ গোল করেছিলেন মেয়েরা। সেভাবে একই ধাঁচের ফুটবল খেলা যাবে না। ট্যাকটিক্যাল গেম খেলবেন ছোটন। সেভাবেই খেলিয়েছেন কাল। স্বাগতিক মিয়ানমারকে কোনো সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি তার মেয়েরা। বরং বলা যায় বাংলাদেশ অনেক বেশি আক্রমণ করেছিল। গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। তহুরা, মনিকারা সেটি কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথম খেলায় চার গোল পাওয়া স্ট্রাইকার তহুরা খাতুন মিয়ানমারের গোলকিপারকে একা পেয়েও মিয়ানমারের ডিফেন্ডার এসে তহুরাকে থামিয়ে দেন। মিয়ানমার ফাঁকে ফাঁকে বাংলাদেশের গোল মুখে হানা দিলেও ডিফেন্ডার সামসুন নাহার, আঁখী খাতুনরা দারুণ ভাবে সামাল দিয়েছেন।