সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার

ডিএসইর ৮৮ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০১৫, ১৯:৩৬
 
 
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গেল সপ্তাহে বড় দরপতন হয়েছে। কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর। তথ্যে দেখা গেছে, গেল সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২১ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ২৮৩টির ও অপরিবর্তিত ছিল চারটির। অর্থাৎ এ সময়ে শেয়ারদর কমেছে ৮৮ শতাংশ কোম্পানির।
 
দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কমলেও গেল সপ্তাহে দুই দিন হরতাল হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও আশানুরূপভাবে হয়নি। ফলে বাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
 
ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১২৬ পয়েন্ট। লেনদেন কমেছে ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ। তবে ইউনাইটেড পাওয়ারের তালিকাভূক্তি উপলক্ষে এ কোম্পানি ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।
 
ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ১৫ শতাংশ ছিল এ কোম্পানির শেয়ার। বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জ্বালানি ও ওষুধ খাতের কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশ  লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
 
বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ছিল জ্বালানি খাতে। এছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে ওষুধ খাত ও টেলিযোগাযোগ খাতে গেল সপ্তাহে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ছিল। তবে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে বীমা খাত। এছাড়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট, সিরামিকস, বস্ত্র খাতসহ সবগুলো খাতেরই বাজার মূলধন কমেছে।
 
এদিকে গেল সপ্তাহে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমায় সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ১৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
 
সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৬ দশমিক ৬ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৩১ দশমিক ৫ পয়েন্ট, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৩ দশমিক ২ পয়েন্ট, সাধারণ বিমা খাতে ৯ দশমিক ৯ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতের ১৬ দশমিক ৪ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৮ দশমিক ৪ পয়েন্ট, এবং বস্ত্র খাতের ১০ দশমিক ৩ পয়েন্টে।