পুঁজিবাজারে দরপতনের ধারা রবিবারও অব্যাহত ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক কমেছে ৪০ পয়েন্ট। বর্তমানে ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৪ হাজার ৩০৫ নেমে এসেছে, যা গত ১৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। লেনদেনের ক্ষেত্রে জ্বালানি ও ওষুধ খাতের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। এ দুই খাতে লেনদেন হয়েছে ১২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার, যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ৪৩ শতাংশ। এ দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০১ কমে ১৩ হাজার ২০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে—গত অক্টোবর থেকে ৬ মাসে ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে প্রায় ১ হাজার পয়েন্ট। এ পতনের ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। অর্থাত্, বাজারের নিম্নমুখী এ প্রবণতায় বিনিয়োগকারীরাও হতাশ হয়ে পড়ছেন।
তথ্যে দেখা গেছে—রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪০ কমে ৪ হাজার ৩০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১২ কমে ১ হাজার ৬৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৭৮ কোটি ১২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৮টির, কমেছে ২০০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০১ কমে ১৩ হাজার ২০৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় ৬ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২২৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ১৪৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
