চুয়াডাঙ্গায় এক প্রতারককে কারাগারে প্রেরণ

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৫, ১৫:৩৬
সোমবার চুয়াডাঙ্গাস্থ ৬-বিজিবি ব্যাটালিয়নে চাকরি প্রদানের প্রলোভনের অভিযোগে ফজলুল হক (৫০) নামে দালাল চক্রের এক হোতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
 
জানা গেছে, গত রবিবার চুয়াডাঙ্গাস্থ ৬-বিজিবি ব্যাটালিন হেড-কোয়ার্টারে ৮৭-তম ব্যাচে রিক্রুটিং প্রক্রিয়ায় মেডিকেলের সময় কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা তদবির অবস্থায় ফজলুল হক নামে ভুয়া চাকরি প্রদানকারী দালাল চক্রের এক হোতাকে আটক করে। 
 
সংশ্লিষ্ট বিজিবি সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ গ্রামের মৃত গাজিম উদ্দিনের পুত্র আটক ফজলুল হক প্রতারক ও দালাল চক্রের প্রধান হোতা। আটক এই ফজলুল হক বিজিবির ৮৭ ব্যাচে চাকরি প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে ২ প্রার্থীর প্রত্যেকের সাথে ৫ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য চুক্তি সম্পাদন করেন। 
 
চাকরি নিতে ইচ্ছুকরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শৈলগাড়ি গ্রামের মৃত আনন্দ মণ্ডলের পুত্র হেলাল উদ্দিন ও পার্শ্ববর্তী দামুড়হুদা উপজেলার মদনা গ্রামের আসার উদ্দিনের পুত্র জিয়ারুল ইসলাম। 
 
সূত্র আরও জানায়, আটক প্রতারক ও দালাল চক্রের হোতা এই ফজলুল হক চাকরি ইচ্ছুক অন্যান্য প্রার্থী ও তাদের অবিভাবকদের আকৃষ্ট করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ৫টি ভুয়া চেক প্রদর্শন করে। ভুয়া এই চেক পাঁচটিতে টাকার অংক ছিল ছয় লাখ, চার লাখ, আড়াই লাখ, বিরাশি হাজার ও আশি হাজার। চুয়াডাঙ্গাস্থ ৬-বিজিবি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে আটক এই প্রতারক ও দালাল চক্রের হোতাকে গত রবিবার রাত্রি চুয়াডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। আটককৃতকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আজ সোমবার তাকে চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপার্দ করে। 
চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল আদালতের বিজ্ঞ বিচারক প্রতারক ও দালাল চক্রের প্রধান হোতা ফজজুল হককে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।