বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, তারেক জিয়ার কোন পাসপোর্ট নেই। তিনি অবৈধভাবে এখন লন্ডনে আছেন। ইনি ডেঞ্জারাস লোক। তার বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বকে সতর্ক করতে অ্যালার্ট দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে কানাডার হাইকমিশনার বেনোট পায়েরি লারামির সাথে বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
বিএনপিকে রাজনৈতিকভঅবে চাপে রাখতে তারেকের বিষয়ে এ্যালার্ট দেওয়া হয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সহিংস কর্মকাণ্ডের জবাব দেবেন। খালেদা জিয়া সহিংস রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করে মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। তাদের চোখের জল ঝরেছে। এদের আর্তনাতে চারিদিক প্রকম্পিত হয়েছে। রাজনীতিদিদে বড় বিচার হয় নির্বাচনের দিনে। আশা করি জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার এসব কর্মকােণ্ডর বিচার করবেন।
২০দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া নিজে দলীয় অফিসে গেছেন। বাসায় থাকছেন। তিনি শান্তিতে আছেন অথচ অসংখ্য মানুষের ক্ষতি করেছেন। এর জন্য তাকে জাতির কাছে কৈফিয়াত দিতে হবে। জবাবদিহিতা করতে হবে।
কানাডার হাইকমিশনারের সাথে বৈঠকের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশসমূহ (এলডিসি) উন্নত দেশগুলোর নিকট থেকে যে সার্ভিস ওয়েভার এবং ডব্লিউটিও-এর ট্রিপস চুক্তির আওতায় ওষুধ রফতানিতে পেটেন্ট আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত অব্যাহতি সুবিধা পায়-এ দুই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পেটেন্ট আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত অব্যাহতির মেয়াদ শেষ হবে। এর মেয়াদ বাড়ানো বিষয়ে আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, এ মহূর্তে বাংলাদেশ এলডিসি ভুক্ত দেসমুহের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করছেন। কানাডাসহ উন্নত দেশের সাথে এসব বিষয়ে আলোচনা করছে বাংলাদেশ।
তোফায়েল আহমেদ জানান, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপে পদক্ষেপে হাইকমিশনার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। কানাডা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি বাড়াতে চাই। এ বিষয়ে উভয়দেশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন তিনি।
