সৈয়দপুর উপজেলায় বিদ্যুত্ সংকট চরমে পৌঁছেছে। চাহিদামত বিদ্যুত্ না মেলায় সেচ প্রকল্প কার্যত অচল ও শিল্প-কারখানায় উত্পাদনে ধস নেমেছে। এদিকে, পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচযন্ত্রে প্রয়োজনীয় পানি উঠছে না। ফলে ভয়াবহ সংকটে পড়েছে বোরোর আবাদ। পানির অভাবে ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। জমির ফসল নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, সৈয়দপুরের সর্বত্র পানির স্তর প্রায় ৩/৪ ফুট নিচে নেমে গেছে। কৃষকরা মাটি গর্ত করে ৭/৮ ফুট নিচে শ্যালো মেশিন স্থাপন করেও চাহিদা মতো পানি পাচ্ছেন না। উপজেলার কামারপুকুর, বাঙালিপুর, বোতলাগাড়ীসহ ৫টি ইউনিয়নের চিত্র একই। দীর্ঘদিন বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে নদ-নদী, খাল- বিলের পানি শুকিয়ে গেছে। বিভিন্নস্থানে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে গ্রীষ্মের শুরুতেই উপজেলার সর্বত্র বিদ্যুত্ বিভ্রাট শুরু হয়েছে। বিদ্যুতের অভাবে সেচ যন্ত্র চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ঘন ঘন বিদ্যুতের আসা- যাওয়া ও লোডশেডিংয়ের কারণে সেচ প্রকল্প ও কল- কারখানার মোটর পুড়ে যাচ্ছে অহরহ। বোরো চাষের কথা বলে শহরে বিদ্যুত্ কম সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ সেচযন্ত্রে ঠিকমতো বিদ্যুত্ দেয়া হচ্ছে না।
কৃষকরা জমিতে পানি দেয়ার জন্য শ্যালো মেশিন মালিকদের পেছনে পেছনে ঘুরছেন। কিন্তু পানি দেয়ার সিরিয়াল পাচ্ছেন না। মাঝে মধ্যে পানির জন্য বাক-বিতণ্ডাও হচ্ছে।
