পুঁজিবাজার গত সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৫, ১৮:০৯
 
 
 
পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গেল সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭১০ কোটি ৩ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৬৮১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার। অর্থাত্, গেল সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন বেড়েছে ২৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বা ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আর গড় দৈনিক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। আর গত সপ্তাহে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৭ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ২ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট।
ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে—গেল সপ্তাহে প্রকৌশল খাতে গড়ে প্রতিদিন ৫৯ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে। অর্থাত্, লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৬১ শতাংশ। গত সপ্তাহে বস্ত্র খাতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকার, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি।
এ ছাড়া, সিরামিক খাতে লেনদেন বেড়েছে ১৩৭ শতাংশ। পাট খাতে লেনদেন বেড়েছে ৯৯ শতাংশ। সেবা ও আবাসন খাতে লেনদেন বেড়েছে ৯৭ শতাংশ। পেপার ও প্রিন্টিং খাতে লেনদেন বেড়েছে ৭৮ শতাংশ। এ ছাড়া, বিবিধ খাতে ৫৮ শতাংশ, এনবিএফআই খাতে ৫৪ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৪৯ শতাংশ, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতে ১৮ শতাংশ, আইটি খাতে ১৪ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ১২ শতাংশ এবং ভ্রমণ ও আবাসন খাত এবং টেলিকমিউনিকেশন খাতে ৯ শতাংশ করে লেনদেন বেড়েছে।

এ দিকে, অলিম্পিক এক্সেসরিজের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন এবং অর্থ জমা রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে। চলবে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ থাকবে ২ মে পর্যন্ত। এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইস্যু করা হবে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী অলিম্পিক এক্সেসরিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ১৬ টাকা ৩৪ পয়সা।