কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে ঝড়ে নিহত ৮

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৫, ১৫:৩৪
 
কালবৈশাখী ঝড়ে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে আটজন মারা গেছেন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জে পাঁচজন ও ময়মনসিংহে তিনজন মারা গেছেন।
ঝড়ে গাছচাপা পড়ে কিশোরগঞ্জের চার উপজেলায় বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন মারা গেছেন। এর মধ্যে পাকুন্দিয়ায় দুইজন, কটিয়াদীতে একজন, বাজিতপুরে একজন ও কুলিয়াচরে একজন রয়েছেন।   
 
পাকুন্দিয়া পৌর মেয়র মো. জালালউদ্দিন জানান, রাতে ঝড়ের সময় জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের কাজিহাটি গ্রামে টিনের ঘরের চালে গাছ ভেঙে পড়লে বাবা ও ছেলে হযরত আলী ও তার ছেলে রিজন মারা যান।
 
কটিয়াদীতে ঘরের চালে গাছ ভেঙে পড়ে আব্দুল মান্নান মারা যান বলে জানিয়েছেন কটিয়াদী পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান।
 
বাজিতপুর উপজেলায় গাছের ডাল ভেঙে পড়ে শিশু রিমা ও কুলিয়ারচর বিটিবাড়ি এলাকায় গাছচাপা পড়লে অটোরিকশাআরোহী শীতল বর্মনের মৃত্যু হয়।
 
এদিকে ময়মনসিংহে ঝড়ে গাছাচাপায় দুইজন ও বজ্রপাতে একজন মারা গেছেন।
 
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাতে কাল বৈশাখী ঝড়ে জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধা কানাই বাজারে দোকানে বটগাছ চাপায় আব্দুল করিম নামে এক কৃষক নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে।
 
একই সময়ে মুক্তাগাছার সন্তোষপুরে গাছ চাপায় জালাল উদ্দিন ভুট্রো নামে এক যুবক মারা যায় এবং আহত হয়েছে ১০ জনের মতো। আহতদের ময়মনসিংহ মেডিক্যালসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে।
 
অন্যদিকে ঝড়ের সময় বজ্রপাতে ত্রিশালের বালিপাড়া গ্রামে ইলিয়াস আলী নামে অপর জন মারা যায়। কাল বৈশখী ঝড়ে ঘর-বাড়ি, গবাদিপশু, পোল্ট্রি মুরগির, গাছপালাসহ বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।