বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টসদের (সিএ) পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে।আমদানি-রফতানিসহ সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টসদের ভূমিকা অপরিসীম। সরকারের রুপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে তারা আগামীতে আরো দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)’র নতুন পাঠাগারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মসিহ্ মালিক চৌধুরী ও ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এফ নেছারউদ্দিন এফসিএ বক্তব্য রাখেন।
আইসিএবি ভবনের তৃতীয় তলায় প্রযুক্তি সমৃদ্ধ আধুনিক এই পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক আমাদের রফতানি আয়ের প্রধান খাত। রফতানি আয় বাড়াতে পণ্য ও বাজার বহমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য আইটি, ফার্নিচার, চামড়া, ওযুধ ও পাটের ওপর নগদ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। রফতানি সম্প্রসারণে সরকারের এই উদ্যোগ এগিয়ে নিতে আইসিএবি সদস্যদের আরো কর্মদক্ষতা দেখাতে হবে।
প্রতিবেশী দেশসমূহের তুলনায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে অনেকক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানের তুলনায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক সব সূচকে এগিয়ে গেছে। সামাজিক অনেক সূচকে ভারতকেও পেছনে পেলেছে। বাংলাদেশের এখন গড় আয়ু সত্তরের ওপরে। অথচ পাকিস্তান ও ভারতের গড় আয়ু যথাক্রমে ৬৫ ও ৬৬।
ব্যবসা-বানিজ্যর ক্ষেত্রে আইসিএবির ভূমিকার প্রশংসা করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটির পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুনাম রয়েছে। জাতির জনকের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু হওয়া ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানটি এখন অনেক বিস্তার লাভ করেছে। শুরুতে এর সদস্য সংখ্যা ছিলো মাত্র ৭৮। সেই সদস্য সংখ্যা এখন ১৮০০ ছাড়িয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট মসিহ্ মালিক চৌধুরী আইসিএবির সার্বিক কার্যক্রম, পেশাগত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, নিরীক্ষামান, পেশাগত আচরণ ও নৈতিকতার মানদন্ডে এর অগ্রগতি মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এর আগে মন্ত্রী আইসিএবির কেন্দ্রিয় পাঠাগার উদ্বোধন করেন।
