পুঁজিবাজারে সোমবার বড় দরপতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬৫ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ১৬৪ পয়েন্ট।
সূচক কমার সাথে সাথে সোমবার বাজারের লেনদেনও কমে গেছে। দুইদিন ডিএসইতে পাঁচশ’ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হওয়ার পর গতকাল তা কমে গেছে।
এদিকে ও বাজারে লেনদেনের শীর্ষে ছিল ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন। আর দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল জাহিন টেক্সটাইল।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৬০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১০৩ কোটি ১২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৮টির, কমেছে ২৪১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ২৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৬ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৩৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৩টির কমেছে ১৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাজারের আশা যেন মরীচীকায় পরিণত হয়েছে। দুয়েকদিন সূচক বাড়লেও তারপরই দফায় দফায় কমতে থাকে সূচক। গতকাল লেনদেনের ক্ষেত্রে দশটি কোম্পানির প্রাধান্য ছিল। এ দশ কোম্পানি ঘিরে লেনদেন হয়েছে ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৪৫ শতাংশ।
শুধু ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি ঘিরে লেনদেন হয়েছে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৩ শতাংশ। এদিকে জ্বালানি খাতে লেনদেন হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ৩০ শতাংশ।
