লিবিয়ার উপকূলে রবিবারের নৌযান ডুবিতে ৮০০ অভিবাসী মারা গেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ শরনার্থী সংস্থা। ভয়াবহ এই দুর্যোগের কবল থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার পর এই সংখ্যার কথা জানান।
মঙ্গলবার ইতালিতে শরনার্থী বিষয়ক জাতিসংঘ হাই কমিশনারের নারী মুখপাত্র কার্লোতা সামি বলেন, আমরা বলতে পারি, মর্মান্তিক নৌডুবির ঘটনায় ৮০০ লোকের প্রাণহানি ঘটেছে।
জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ও অভিবাসন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, তারা এই ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া ২৭ জনের অধিকাংশের সাথে কথা বলেছেন। এসময় প্রাণে বেঁচে যাওয়া ঐ ব্যক্তিরা তাদের বহন করা জাহাজ ডুবে যাওয়ার বর্ণনা দেন।
তারা জানান, পর্তুগালের একটি জাহাজ পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বড় ধরণের ঢেউয়ের আঘাতে তাদের বহন করা নৌযানটি ডুবে যায়।
এ ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া অপর এক ব্যক্তিকে সিসিলির পূর্ব উপকূলের কাতানিয়ার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সামি বলেন, নৌযানটিতে শিশুসহ আট শতাধিক যাত্রী ছিল। সেখানে থাকা শিশুদের বয়স ছিল ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। যাত্রীদের বেশিরভাগই সিরিয়া, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়ার নাগরিক। এদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তারা স্থানীয় সময় শনিবার সকাল আটটার দিকে ত্রিপোলি ছেড়ে যায়।
তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা মালি, গাম্বিয়া, সেনেগাল, সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিক। এদের সকলকে পার্শ্ববর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
এদিকে ইতালি কোস্টগার্ড জানায়, তারা পৃথকভাবে ২৪ জনের লাশ উদ্ধার করেছে এবং তারা এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেনি।
