বাংলাদেশের ভাবনায় এখন র‌্যাংকিং

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০১৫, ১২:২১
তাকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে খুব একটা আসতে হয় না। সে জন্যই কি না, শুরুতে একটু নার্ভাস মনে হলো বাংলাদেশ দলের সহকারী ও স্পিন কোচ রুয়ান কালপাগেকে। তবে নার্ভাসনেস কাটিয়ে উঠতে সময় নিলেন না শ্রীলঙ্কার সাবেক এই অলরাউন্ডার, জানালেন বাংলাদেশের ভাবনায় এখন রেটিং পয়েন্ট।
 
একজন প্রশ্ন করেছিলেন—এই জয়ধারার মধ্যেও উন্নতির কোনো জায়গা চোখে পড়ে কি না।
 
কালপাগে একগাল হেসে বললেন, ‘উন্নতির জায়গা তো থাকবেই। কিন্তু আপনি কী চান, আমরা টানা দুটো এমন দাপুটে জয়ের পরও দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা করি? আমরা দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা করবো না; এটা এখন পাকিস্তানের কাজ, তারা নিজেদের দুর্বলতা খুঁজুক।’
 
এমন সূক্ষ্ম খোঁচা দেয়ার মতো জায়গায় এই সিরিজে বাংলাদেশ চলে যাবে, সেটা কয়েক মাস আগে কল্পনা করা কঠিন ছিলো। সেই কঠিনকে একেবারে পানির মতো সরল করে ফেলেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপেও ভালো মনে হতে থাকা পাকিস্তান দলকে একেবারে দুর্বল দল বানিয়ে ফেলেছেন তামিম ইকবালরা। এখন তারা হোয়াইট ওয়াশ করার দ্বারপ্রান্তে।
 
অবশ্য কালপাগে বলছেন, হোয়াইট ওয়াশ নয়; তাদের চিন্তা রেটিং পয়েন্ট নিয়ে। ২০১৯ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলতে চাইলে ২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আইসিসি র্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকতে হবে। এই সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করলেও র্যাংকিংয়ে এগোতে পারবে না বাংলাদেশ; তবে বাড়বে রেটিং পয়েন্ট। যে রেটিং পয়েন্ট যোগ করেই র্যাংকিং হিসাব করা হয়। নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশ আজ জিতলে তাদের রেটিং পয়েন্ট হবে ৮১; আর ৯২ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান নেমে আসবে আটে। এই ব্যবধানটা সামনের সিরিজগুলোতে ঘোচানোর সুযোগ থাকবে।
 
এই রেটিং পয়েন্টের কারণেই আজকের দল নিয়ে কোনো পরীক্ষা-নীরিক্ষারও পক্ষে নন দলের এই সহকারী ও স্পিন কোচ, ‘আমাদের জন্য ওয়ানডে র্যাংকিংটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় নয়। প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ম্যাচই জেতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য এটা একটা দারুণ সুযোগ।’
 
দলের বাকী সবার মতো খেলোয়াড়দের এই পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কালপাগে। তবে বিস্মিত নন তিনি, ‘না আমি অবাক হয়নি। খেলোয়াড়রা যেভাবে উন্নতি করছে তাতে আমি খুশি। সবাই জানে তারা কতটা প্রতিভাবান খেলোয়াড়। আমরা খেলছি একটা দল হয়ে। গত চার মাসে আমরা সত্যি অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছি। তামিম পরপর দুটো সেঞ্চুরি করল। প্রত্যেকে দারুণ খেলছে এ মুহূর্তে।’
 
কালপাগে একইসঙ্গে বাংলাদেশের এই সিরিজ জয় ও সম্ভাব্য হোয়াইট ওয়াশ অর্জনকে হঠাত্ অর্জন বলে মানতে রাজী নন। তার মতে, এটা আসলে গত মাস ছয়েক ধরে বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নতির ফলাফল, ‘গত কয়েক ম্যাচ কেবল নয়, আমরা গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করছি। সবসময় প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। তবে সবাই আত্মবিশ্বাসী। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং প্রতিটি বিভাগেই আমরা এ মুহূর্তে দারুণ করছি। আমি মনে করি, বিশ্বকাপ থেকেই ছেলেরা দারুণ খেলছে। তাই ছেলেরা খুব খুশি পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে জিতে। তারা এখন তৃতীয় ওয়ানডের দিকেই তাকিয়ে আছে।’
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/sports-news/2015/04/22/44796.html#sthash.2ZoQCw0G.dpuf
তাকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে খুব একটা আসতে হয় না। সে জন্যই কি না, শুরুতে একটু নার্ভাস মনে হলো বাংলাদেশ দলের সহকারী ও স্পিন কোচ রুয়ান কালপাগেকে। তবে নার্ভাসনেস কাটিয়ে উঠতে সময় নিলেন না শ্রীলঙ্কার সাবেক এই অলরাউন্ডার, জানালেন বাংলাদেশের ভাবনায় এখন রেটিং পয়েন্ট।
 
একজন প্রশ্ন করেছিলেন—এই জয়ধারার মধ্যেও উন্নতির কোনো জায়গা চোখে পড়ে কি না।
 
কালপাগে একগাল হেসে বললেন, ‘উন্নতির জায়গা তো থাকবেই। কিন্তু আপনি কী চান, আমরা টানা দুটো এমন দাপুটে জয়ের পরও দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা করি? আমরা দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা করবো না; এটা এখন পাকিস্তানের কাজ, তারা নিজেদের দুর্বলতা খুঁজুক।’
 
এমন সূক্ষ্ম খোঁচা দেয়ার মতো জায়গায় এই সিরিজে বাংলাদেশ চলে যাবে, সেটা কয়েক মাস আগে কল্পনা করা কঠিন ছিলো। সেই কঠিনকে একেবারে পানির মতো সরল করে ফেলেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপেও ভালো মনে হতে থাকা পাকিস্তান দলকে একেবারে দুর্বল দল বানিয়ে ফেলেছেন তামিম ইকবালরা। এখন তারা হোয়াইট ওয়াশ করার দ্বারপ্রান্তে।
 
অবশ্য কালপাগে বলছেন, হোয়াইট ওয়াশ নয়; তাদের চিন্তা রেটিং পয়েন্ট নিয়ে। ২০১৯ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলতে চাইলে ২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আইসিসি র্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকতে হবে। এই সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করলেও র্যাংকিংয়ে এগোতে পারবে না বাংলাদেশ; তবে বাড়বে রেটিং পয়েন্ট। যে রেটিং পয়েন্ট যোগ করেই র্যাংকিং হিসাব করা হয়। নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশ আজ জিতলে তাদের রেটিং পয়েন্ট হবে ৮১; আর ৯২ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান নেমে আসবে আটে। এই ব্যবধানটা সামনের সিরিজগুলোতে ঘোচানোর সুযোগ থাকবে।
 
এই রেটিং পয়েন্টের কারণেই আজকের দল নিয়ে কোনো পরীক্ষা-নীরিক্ষারও পক্ষে নন দলের এই সহকারী ও স্পিন কোচ, ‘আমাদের জন্য ওয়ানডে র্যাংকিংটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় নয়। প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ম্যাচই জেতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য এটা একটা দারুণ সুযোগ।’
 
দলের বাকী সবার মতো খেলোয়াড়দের এই পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কালপাগে। তবে বিস্মিত নন তিনি, ‘না আমি অবাক হয়নি। খেলোয়াড়রা যেভাবে উন্নতি করছে তাতে আমি খুশি। সবাই জানে তারা কতটা প্রতিভাবান খেলোয়াড়। আমরা খেলছি একটা দল হয়ে। গত চার মাসে আমরা সত্যি অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছি। তামিম পরপর দুটো সেঞ্চুরি করল। প্রত্যেকে দারুণ খেলছে এ মুহূর্তে।’
 
কালপাগে একইসঙ্গে বাংলাদেশের এই সিরিজ জয় ও সম্ভাব্য হোয়াইট ওয়াশ অর্জনকে হঠাত্ অর্জন বলে মানতে রাজী নন। তার মতে, এটা আসলে গত মাস ছয়েক ধরে বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নতির ফলাফল, ‘গত কয়েক ম্যাচ কেবল নয়, আমরা গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করছি। সবসময় প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। তবে সবাই আত্মবিশ্বাসী। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং প্রতিটি বিভাগেই আমরা এ মুহূর্তে দারুণ করছি। আমি মনে করি, বিশ্বকাপ থেকেই ছেলেরা দারুণ খেলছে। তাই ছেলেরা খুব খুশি পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে জিতে। তারা এখন তৃতীয় ওয়ানডের দিকেই তাকিয়ে আছে।’
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/sports-news/2015/04/22/44796.html#sthash.2ZoQCw0G.dpuf
 
তাকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে খুব একটা আসতে হয় না। সে জন্যই কি না, শুরুতে একটু নার্ভাস মনে হলো বাংলাদেশ দলের সহকারী ও স্পিন কোচ রুয়ান কালপাগেকে। তবে নার্ভাসনেস কাটিয়ে উঠতে সময় নিলেন না শ্রীলঙ্কার সাবেক এই অলরাউন্ডার, জানালেন বাংলাদেশের ভাবনায় এখন রেটিং পয়েন্ট।

একজন প্রশ্ন করেছিলেন—এই জয়ধারার মধ্যেও উন্নতির কোনো জায়গা চোখে পড়ে কি না।

কালপাগে একগাল হেসে বললেন, ‘উন্নতির জায়গা তো থাকবেই। কিন্তু আপনি কী চান, আমরা টানা দুটো এমন দাপুটে জয়ের পরও দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা করি? আমরা দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা করবো না; এটা এখন পাকিস্তানের কাজ, তারা নিজেদের দুর্বলতা খুঁজুক।’

এমন সূক্ষ্ম খোঁচা দেয়ার মতো জায়গায় এই সিরিজে বাংলাদেশ চলে যাবে, সেটা কয়েক মাস আগে কল্পনা করা কঠিন ছিলো। সেই কঠিনকে একেবারে পানির মতো সরল করে ফেলেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপেও ভালো মনে হতে থাকা পাকিস্তান দলকে একেবারে দুর্বল দল বানিয়ে ফেলেছেন তামিম ইকবালরা। এখন তারা হোয়াইট ওয়াশ করার দ্বারপ্রান্তে।

অবশ্য কালপাগে বলছেন, হোয়াইট ওয়াশ নয়; তাদের চিন্তা রেটিং পয়েন্ট নিয়ে। ২০১৯ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলতে চাইলে ২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকতে হবে। এই সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করলেও র্যাংকিংয়ে এগোতে পারবে না বাংলাদেশ; তবে বাড়বে রেটিং পয়েন্ট। যে রেটিং পয়েন্ট যোগ করেই র‌্যাকিং হিসাব করা হয়। নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশ আজ জিতলে তাদের রেটিং পয়েন্ট হবে ৮১; আর ৯২ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান নেমে আসবে আটে। এই ব্যবধানটা সামনের সিরিজগুলোতে ঘোচানোর সুযোগ থাকবে।

এই রেটিং পয়েন্টের কারণেই আজকের দল নিয়ে কোনো পরীক্ষা-নীরিক্ষারও পক্ষে নন দলের এই সহকারী ও স্পিন কোচ, ‘আমাদের জন্য ওয়ানডে র‌্যাংকিংটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় নয়। প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ম্যাচই জেতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে নিজেদের অবস্থান ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য এটা একটা দারুণ সুযোগ।’

দলের বাকী সবার মতো খেলোয়াড়দের এই পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কালপাগে। তবে বিস্মিত নন তিনি, ‘না আমি অবাক হয়নি। খেলোয়াড়রা যেভাবে উন্নতি করছে তাতে আমি খুশি। সবাই জানে তারা কতটা প্রতিভাবান খেলোয়াড়। আমরা খেলছি একটা দল হয়ে। গত চার মাসে আমরা সত্যি অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছি। তামিম পরপর দুটো সেঞ্চুরি করল। প্রত্যেকে দারুণ খেলছে এ মুহূর্তে।’

কালপাগে একইসঙ্গে বাংলাদেশের এই সিরিজ জয় ও সম্ভাব্য হোয়াইট ওয়াশ অর্জনকে হঠাৎ অর্জন বলে মানতে রাজী নন। তার মতে, এটা আসলে গত মাস ছয়েক ধরে বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নতির ফলাফল, ‘গত কয়েক ম্যাচ কেবল নয়, আমরা গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করছি। সবসময় প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। তবে সবাই আত্মবিশ্বাসী। বোলিং-ফিল্ডিং-ব্যাটিং প্রতিটি বিভাগেই আমরা এ মুহূর্তে দারুণ করছি। আমি মনে করি, বিশ্বকাপ থেকেই ছেলেরা দারুণ খেলছে। তাই ছেলেরা খুব খুশি পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে জিতে। তারা এখন তৃতীয় ওয়ানডের দিকেই তাকিয়ে আছে।’