রাজাপুরের পোনা নদী এখন মরা খাল

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৫৪
মহাদেবপুর উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার নারী কারিগর টুপি তৈরির সাথে জড়িত। আগে এসব পরিবারের নারীরা শুধু পুরুষ সদস্যের আয়ের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। ওই পরিবারের নারীরা এখন টুপি তৈরির মাধ্যমে বাড়তি আয় যোগ করে সংসারে এনেছেন স্বচ্ছলতা।
 
টুপি তৈরিতে অপসিজন বলে কিছু নেই। সারা বছরই সিজন। তবে বছরে ২ ঈদ মৌসুমে কাজের চাপ অত্যন্ত বেড়ে যায়। দেশের চাহিদা পূরণের পর এসব টুপি চলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।
 
টুপির কারিগরদের মধ্যে তাসলিমা, মৌসুমী, বেলো, ফাতেমা, সুলতানা ও সাবিহা জানান, তারা কাজের ফাঁকে সারাবছর টুপি তৈরি করে প্রতিমাসে গড়ে ৩ হাজার টাকা আয় করেন। ২ ঈদ মৌসুমে এ আয় আরো বেড়ে যায় বলে তারা জানান।
 
আবার এসব এলাকার অনেক শিক্ষার্থী মেয়েরাও লেখাপড়ার ফাঁকে টুপি তৈরি করে লেখাপড়ার খরচ মিটিয়েও বাড়তি আয় পিতার সংসারে দিচ্ছে। শিক্ষার্থী দিলরুবা, সাথী, নাদিরা ও পারভীন সুলতানা জানায়, তাদের দরিদ্র পিতার পক্ষে জামা-কাপড়সহ লেখাপড়ার খরচ জোগানো সম্ভব হয় না। প্রতিবেশীদের কাছে টুপি তৈরি করা শিখে এখন তারাও বাড়তি আয় করে লেখাপড়ার খরচসহ নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয় মিটিয়ে অবশিষ্ট টাকা পিতার সংসারে দিচ্ছে।
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/country/2015/04/22/44734.html#sthash.8riZEzXs.dpuf
রাজাপুরের ঐতিহ্যবাহী পোনা নদী কালের বিবর্তনে খননের অভাব ও একাধিক স্লুইচ গেটের কারণে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ নদীটি উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের সত্যনগর এলাকার জাঙ্গালিয়া নদী থেকে শুরু করে ভাণ্ডারিয়ার কচা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। নদীটি দিয়ে একসময় বড় বড় জাহাজ, স্টীমার ও লঞ্চ চলাচল করতো। কিন্তু এখন নৌকাও চলতে পারছে না।
 
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, প্রায় দেড়’শ বছর আগে এ নদীতে বড় বড় জাহাজ, স্টীমার, লঞ্চ ও পাল তুলে সারি সারি নৌকা চলতো। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বড় বড় মালবাহী জাহাজ ধানসিঁড়ি হয়ে পোনা নদী দিয়ে কচা নদী হয়ে খুলনা বন্দরে যেত। এ নদীতে খরস্রোত থাকায় নদীর দু’পাশের ফসলি জমিতে প্রচুর ধানসহ সকল প্রকারের ফসল ফলতো। বর্তমানে নদীটি মরে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে দেশীয় মাছও হারিয়ে গেছে।
 
স্থানীয় কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এখন বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি থাকে এবং শুকনা মৌসুমে আদৌ কোন পানি থাকে না। এ নদীর দুই পাশে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। নদীতে পানি না থাকায় বোরো ও আমন ধান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
 
পলি মাটির অভাবে নদীর দুই পাশের জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় মরিচ, আলু, ডাল, পিঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন রবি শস্য আগের মত আর আবাদ হচ্ছে না। বরং সেখানে বৃক্ষের বাগান এবং বসতবাড়ি নির্মাণ হচ্ছে।
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/country/2015/04/22/44736.html#sthash.SlvqrBgA.dpuf
রাজাপুরের ঐতিহ্যবাহী পোনা নদী কালের বিবর্তনে খননের অভাব ও একাধিক স্লুইচ গেটের কারণে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ নদীটি উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের সত্যনগর এলাকার জাঙ্গালিয়া নদী থেকে শুরু করে ভাণ্ডারিয়ার কচা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। নদীটি দিয়ে একসময় বড় বড় জাহাজ, স্টীমার ও লঞ্চ চলাচল করতো। কিন্তু এখন নৌকাও চলতে পারছে না।
 
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, প্রায় দেড়’শ বছর আগে এ নদীতে বড় বড় জাহাজ, স্টীমার, লঞ্চ ও পাল তুলে সারি সারি নৌকা চলতো। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বড় বড় মালবাহী জাহাজ ধানসিঁড়ি হয়ে পোনা নদী দিয়ে কচা নদী হয়ে খুলনা বন্দরে যেত। এ নদীতে খরস্রোত থাকায় নদীর দু’পাশের ফসলি জমিতে প্রচুর ধানসহ সকল প্রকারের ফসল ফলতো। বর্তমানে নদীটি মরে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে দেশীয় মাছও হারিয়ে গেছে।
 
স্থানীয় কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এখন বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি থাকে এবং শুকনা মৌসুমে আদৌ কোন পানি থাকে না। এ নদীর দুই পাশে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। নদীতে পানি না থাকায় বোরো ও আমন ধান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
 
পলি মাটির অভাবে নদীর দুই পাশের জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় মরিচ, আলু, ডাল, পিঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন রবি শস্য আগের মত আর আবাদ হচ্ছে না। বরং সেখানে বৃক্ষের বাগান এবং বসতবাড়ি নির্মাণ হচ্ছে।
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/country/2015/04/22/44736.html#sthash.SlvqrBgA.dpuf
রাজাপুরের ঐতিহ্যবাহী পোনা নদী কালের বিবর্তনে খননের অভাব ও একাধিক স্লুইচ গেটের কারণে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ নদীটি উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের সত্যনগর এলাকার জাঙ্গালিয়া নদী থেকে শুরু করে ভাণ্ডারিয়ার কচা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। নদীটি দিয়ে একসময় বড় বড় জাহাজ, স্টীমার ও লঞ্চ চলাচল করতো। কিন্তু এখন নৌকাও চলতে পারছে না।
 
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, প্রায় দেড়’শ বছর আগে এ নদীতে বড় বড় জাহাজ, স্টীমার, লঞ্চ ও পাল তুলে সারি সারি নৌকা চলতো। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বড় বড় মালবাহী জাহাজ ধানসিঁড়ি হয়ে পোনা নদী দিয়ে কচা নদী হয়ে খুলনা বন্দরে যেত। এ নদীতে খরস্রোত থাকায় নদীর দু’পাশের ফসলি জমিতে প্রচুর ধানসহ সকল প্রকারের ফসল ফলতো। বর্তমানে নদীটি মরে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে দেশীয় মাছও হারিয়ে গেছে।
 
স্থানীয় কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এখন বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি থাকে এবং শুকনা মৌসুমে আদৌ কোন পানি থাকে না। এ নদীর দুই পাশে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। নদীতে পানি না থাকায় বোরো ও আমন ধান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
 
পলি মাটির অভাবে নদীর দুই পাশের জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় মরিচ, আলু, ডাল, পিঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন রবি শস্য আগের মত আর আবাদ হচ্ছে না। বরং সেখানে বৃক্ষের বাগান এবং বসতবাড়ি নির্মাণ হচ্ছে।
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/country/2015/04/22/44736.html#sthash.SlvqrBgA.dpuf
রাজাপুরের ঐতিহ্যবাহী পোনা নদী কালের বিবর্তনে খননের অভাব ও একাধিক স্লুইচ গেটের কারণে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ নদীটি উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের সত্যনগর এলাকার জাঙ্গালিয়া নদী থেকে শুরু করে ভাণ্ডারিয়ার কচা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। নদীটি দিয়ে একসময় বড় বড় জাহাজ, স্টীমার ও লঞ্চ চলাচল করতো। কিন্তু এখন নৌকাও চলতে পারছে না।
 
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, প্রায় দেড়’শ বছর আগে এ নদীতে বড় বড় জাহাজ, স্টীমার, লঞ্চ ও পাল তুলে সারি সারি নৌকা চলতো। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বড় বড় মালবাহী জাহাজ ধানসিঁড়ি হয়ে পোনা নদী দিয়ে কচা নদী হয়ে খুলনা বন্দরে যেত। এ নদীতে খরস্রোত থাকায় নদীর দু’পাশের ফসলি জমিতে প্রচুর ধানসহ সকল প্রকারের ফসল ফলতো। বর্তমানে নদীটি মরে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে দেশীয় মাছও হারিয়ে গেছে।
 
স্থানীয় কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এখন বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি থাকে এবং শুকনা মৌসুমে আদৌ কোন পানি থাকে না। এ নদীর দুই পাশে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। নদীতে পানি না থাকায় বোরো ও আমন ধান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
 
পলি মাটির অভাবে নদীর দুই পাশের জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় মরিচ, আলু, ডাল, পিঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন রবি শস্য আগের মত আর আবাদ হচ্ছে না। বরং সেখানে বৃক্ষের বাগান এবং বসতবাড়ি নির্মাণ হচ্ছে।
- See more at: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/country/2015/04/22/44736.html#sthash.SlvqrBgA.dpuf
 
রাজাপুরের ঐতিহ্যবাহী পোনা নদী কালের বিবর্তনে খননের অভাব ও একাধিক স্লুইচ গেটের কারণে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এ নদীটি উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের সত্যনগর এলাকার জাঙ্গালিয়া নদী থেকে শুরু করে ভাণ্ডারিয়ার কচা নদীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। নদীটি দিয়ে একসময় বড় বড় জাহাজ, স্টীমার ও লঞ্চ চলাচল করতো। কিন্তু এখন নৌকাও চলতে পারছে না।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, প্রায় দেড়’শ বছর আগে এ নদীতে বড় বড় জাহাজ, স্টীমার, লঞ্চ ও পাল তুলে সারি সারি নৌকা চলতো। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বড় বড় মালবাহী জাহাজ ধানসিঁড়ি হয়ে পোনা নদী দিয়ে কচা নদী হয়ে খুলনা বন্দরে যেত। এ নদীতে খরস্রোত থাকায় নদীর দু’পাশের ফসলি জমিতে প্রচুর ধানসহ সকল প্রকারের ফসল ফলতো। বর্তমানে নদীটি মরে যাওয়ায় এসব এলাকা থেকে দেশীয় মাছও হারিয়ে গেছে।

স্থানীয় কৃষক হারুন অর রশিদ জানান, নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এখন বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি থাকে এবং শুকনা মৌসুমে আদৌ কোন পানি থাকে না। এ নদীর দুই পাশে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি রয়েছে। নদীতে পানি না থাকায় বোরো ও আমন ধান চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।

পলি মাটির অভাবে নদীর দুই পাশের জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় মরিচ, আলু, ডাল, পিঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন রবি শস্য আগের মত আর আবাদ হচ্ছে না। বরং সেখানে বৃক্ষের বাগান এবং বসতবাড়ি নির্মাণ হচ্ছে।