২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় আসবে গার্মেন্টস পণ্য থেকে। এমন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন বাংলাদেশের রফতানিকারকরা। আর এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সার্বিক সহযোগিতা করতে বিভিন্ন খাতের নাগরিকদের নিয়ে গঠিত সেন্টার অব এক্সিলেন্স ফর অ্যাপারেল ইন্ড্রাস্ট্রিজ (সিইবিএআই) এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অবশ্য গত ডিসেম্বরে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ঢাকা অ্যাপারেল সামিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), সুইডেন সরকার, আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড এইচ এন্ড এম, ইউকেএআইডি, সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কর্পোরেশন (এসডিসি) থিঙ্কট্যাঙ্ককে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে। দেশের গার্মেন্টস খাতের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রেনিং এবং এজন্য প্রয়োজনীয় কারিকুলাম প্রণয়ন করবে এ সিইবিএআই। এ খাতে নতুন শ্রমিক তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, শ্রমিক ও কারখানার অবস্থা বিবেচনা করে সার্টিফিকেট প্রণয়ন করার কাজও করবে তারা।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবো। এজন্য পোশাক খাতের ভূমিকা অনেক। আর এ খাতের উন্নয়নে প্রয়োজন মাফিক প্রশিক্ষণের কথা বলেন তিনি।
বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, পোশাক খাতে আমাদের সম্ভাবনা অনেক। তবে এক্ষেত্রে দক্ষতার উন্নয়ন এবং উত্পাদন বাড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সিইবিএআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গতকালের অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, আইএলও সহকারী মহাপরিচালক ও এশিয়-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তোমোকো নিশিমাটো, সিডার মিশনের উপ প্রধান কারিন ম্যাকডোনাল্ড, আইএলও এর আবাসিক পরিচালক শ্রীনিবাস বি রেড্ডি এবং বিভিন্ন দেশের ঢাকাস্থ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা বক্তৃতা করেন।
