কানাডায় নববর্ষ উৎসব

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৫, ০৯:৪৮


১৪২২ উপলক্ষে রকমারি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নববর্ষ উৎসব। সেই সাথে চৈত্রী সংক্রান্তি অনুষ্ঠানও পালিত হয়। প্রায় পুরো মাস ধরে পহেলা বৈশাখের আমেজ এবং উৎসব চলছে। বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ সাধারণত ১৫ এপ্রিল পড়ে। আর এর কাছাকাছি শনিরবি ছুটির দিন অটোয়া, টরন্টো, মন্ট্রিয়াল, আলবাট্র, সাচকাচুয়ান, ভ্যাঙ্কুভারের বিভিন্ন সংগঠনগুলো ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেয়।
এবারো বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ড্যানফোর্থস্থ ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট চত্বর থেকে শুরু করে মেইন স্ট্রিট এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার ফিরে আসে যাত্রাস্থলে। ‘ইয়ং বাংলাদেশি টরন্টোনিয়ান’ উদ্যোগে উৎসবমুখরিত এই র‌্যালিতে অংশগ্রহন করে প্রবাসী বাঙালিরা। টরন্টোতে প্রায় ১০/১২টি বৈশাখ মেলা হয়। তার মধ্যে টেড রিক হকি স্টেডিয়ামে টরন্টো বৈশাখি মেলা, ছায়ানটের বর্ষবরণ ব্যাপক সাড়া জাগায়। এবার তপন চৌধুরী, জিনাত আরা মুন্নি এবং স্থানীয় শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
মন্ট্রিয়লেও আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার। সেখানেও একাধিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। তার মধ্যে বাংলাদেশ হিন্দু এসোসিয়েশন অব মন্ট্রিয়ল আয়োজনে মন্ট্রিয়লে প্লেস সেন্ট হেনরী অডিটরিয়ামের বৈশাখি মেলা ছিলো জমজমাট। ভ্যাংকুভারে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে বৈশাখি মেলাইয় বইমেলাও অনুষ্ঠিত হয়। সাসকাচুয়ানে অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয় ফোল ফ্যাষ্টিভ্যাল। অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে পালিত হয় বৈশাখি অনুষ্ঠান। এদিকে টরন্টোতে বাংলাদেশ সেন্টারের এক বৈশাখি অনুষ্ঠানে বক্তারা টিএসসিতে নারী পীড়নের ঘটনার বিচার দাবি করা হয়।
উল্লেখ্য, কানাডায় বহুজাতিক সংস্কৃতির দেশ। এখানে মিশ্র সংস্কৃতির মধ্যে নিজ নিজ ঐতিহ্য বা সংস্কৃতি প্রকাশও এক ধরণের অহংকার, গৌরব। তা বৈশাখি উৎসবের মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হলো।
এদিকে গত ৫ এপ্রিল বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব টরন্টোর রয়েল কানাডিয়ান লিজিয়ন হলে দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অগ্রিম বর্ষবরণ করে।