নওগাঁর সাপাহার কলমুডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের নির্যাতনে নরুল ইসলাম নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় মো: ইসলাম নামে আরো এক গরু ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। আহত মো: ইসলামকে উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত নরুল ইসলাম উপজেলার কলমুডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে। আহত মো: ইসলাম একই উপজেলার শিমুলডাঙ্গা গ্রামের রুস্তাম আহমেদের ছেলে।
কলমুডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল হাকিম জানান, সোমবার রাতে নরুল ইসলাম ও মো: ইসলামসহ বেশ কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী মঙ্গলবার ভোর রাতে অবৈধ ভাবে ভারতের গরু আনতে যান। গরু নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার সময় ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিএসএফ ৩১ সনঘাট ক্যাম্পে জোয়ানরা ওই দুইজনকে আটক করে। আটকের পর ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে মারপিট করে নির্যাতন চালানো হয়।
নির্যাতনের তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মঙ্গলবার ভোররাতে সীমান্তের ২৩৯ পিলার এলাকায় ফেলে রেখে যায়। ঘটনাটি জানেতে পেরে উদ্ধার করে তাদের নিজ নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়। আজ মঙ্গলবার ভোর রাতে নরুল ইসলাম মারা যান। অপরজন আহত মো: ইসলামকে উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরর প্রক্রিয়া চলছে।
১৪ বিজিবি (পত্নীতলা) কমান্ডিং অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, গত ২১ এপ্রিল সাপাহার সীমান্তে ২৩৬ নং পিলারে ভারতীয় বিএসএফ ও বিজিবি’র ক্যাম্প পর্যায় পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় কোন অবৈধ্য নাগরিকদের নির্যাতন করা যাবে না। অথচ এক সপ্তাহ না যেতেই বিএসএফের নির্যাতন এক বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ী মারা যায় আর এক জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ভারতীয় বিএসএফের কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
