পুঁজিবাজারে দফায় দফায় দরপতন

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৫, ১৮:২৭
 
 
 
পুঁজিবাজারে দফায় দফায় দরপতন চলছে। বৃহস্পতিবারও বাজারে বড় দরপতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ৫১ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ২১৭ পয়েন্ট। এ দিন বাজারের লেনদেনও কমে গেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন—রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে গেছে। ফলে সূচক ও লেনদেন কমছে। এ দিকে বাজারে সূচক আরও কমে যাওয়ার গুজব ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এ অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে এগিয়ে না এলে বাজার স্থিতিশীল হওয়া কঠিন।
তথ্যে দেখা গেছে—বৃহস্পতিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৫১ কমে ৪ হাজার ৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৭ কমে ১ হাজার ৫৪৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৮২ কোটি ৩১ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ৬৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৬টির, কমেছে ২৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২১৭ কমে ১২ হাজার ৪২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ২২ লাখ টাকার। যা আগের দিনের তুলনায় ৪ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে— কয়েকটি কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বেড়েছে। এর মধ্যে রেকিট বেঙ্কিজার সর্বোচ্চতে অবস্থান করছে। এ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ। শুধু সিরামিক এবং খাদ্য ও পানীয় খাত ছাড়া সব খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর কমেছে।