বর্তমানে ৯০ শতাংশ ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিসিএস মিলনায়তনে সরকারের ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ল্যাপটপ’ প্রকল্পের আওতায় এক্সিম ব্যাংকের উদ্যোগে ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্যপ্রযুক্তি সচিব শ্যামসুন্দর সিকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ল্যাপটপ গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর বলেন—দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নীতি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেকে একটি তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছে এবং সমগ্র ব্যাংকিং খাতকে তথ্যপ্রযুক্তি-সমৃদ্ধ করতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকিং খাতের জন্য অনলাইন সিআইবি ও পেমেন্ট সিস্টেম অবকাঠামোতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে এ সব কাজকে দ্রুততর করা হয়েছে। মোবাইল ফোন ও স্মার্ট কার্ডভিত্তিক আর্থিক সেবা, অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ ব্যয়সাশ্রয়ী আর্থিক সেবার নানা কৌশলের দ্রুত বিস্তারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছে।
দেশের তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে আইসিটি মন্ত্রণালয় ছাত্রছাত্রীদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেয়ার জন্য ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ল্যাপটপ’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সামাজিক দায়বদ্ধতার কর্মসূচির আওতায় এক্সিম ব্যাংক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ জন, বুয়েটের ২০০ জন এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ জন অর্থাত্ ৫০০ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ করবে, যার প্রথম কিস্তির ২৫০টি ল্যাপটপ এরই মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
