নাজেহালের শিকার রূপা হক

আপডেট : ০৪ মে ২০১৫, ১৬:০০
 
যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা হক ‘নাজেহালের’ শিকার হয়েছেন। এতে লন্ডনের মেয়র বরিস জনসন ও কনজারভেটিভ পার্টি সমালোচার শিকার হয়েছেন।
 
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পত্রিকা ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেট’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে টোরি দলের প্রার্থী এনজি ব্রে’র পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন মেয়র বরিস জনসন। এসময় রূপা হক তাকে প্রশ্ন করতে এগিয়ে এলে তিনি নাজেহালের শিকার হন।
 
IMG0
 
বরিস জনসন এবং রূপা ফুটপাতে পাশাপাশি হাঁটার সময় টোরি দলের এক কর্মী পেছন থেকে বারবার রূপাকে টেনে ধরছিলেন। এক পর্যায়ে রূপার মুখের সামনে এনজি ব্রে’র প্রচারের লিফলেট ও প্ল্যাকার্ড ধরে থাকতে দেখা যায়।
 
নাজেহালের শিকার রূপা হক দাবি করেছেন, মেয়র বরিস জনসনকে তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তার সঙ্গে আচরণের মধ্য দিয়ে বোঝা যায় নারীদের সঙ্গে কিরকম আচরণ করা হচ্ছে।
 
এই ঘটনার সময় ব্রে পিছনেই ছিলেন। টুইটারে তিনি ঐ টরিকর্মীকে দল থেকে সরে যেতে বলেছেন এবং রূপা হকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
 
 
IMG1
 
রূপা হক বলেন, ইলিংয়ে প্রভাব ফেলছে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমি তাকে (মেয়র বরিস জনসন) প্রশ্ন করছিলাম। এসময় তারা আমাকে টেনে হিঁচড়ে সরাতে চাইছিল যা হতাশাজনক।
 
তিনি বলেন, বোরিস জনসন ও তার দলের আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তার মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নারীদের সাথে কিরকম ব্যবহার করে এই ঘটনা তার একটি উদাহরণ।
 
এর জবাবে ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন কনজারভেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জুলিয়ান গ্যালান্ট বলেন, যা ঘটেছে তা দুঃখজনক। তবে রূপা হককে টানা-হেঁচড়ার অভিযোগ সঠিক নয়।
 
গ্যালান্ট বলেন, অকটনে বোরিস জনসন ও এনজি ব্রে  প্রচারণা চালানোর সময় সেখানে লেবার পার্টির প্রার্থী ঢুকে পড়েন এবং মেয়রকে প্রশ্ন করতে থাকেন।