গোমতী নদী ভরাট বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট : ০৫ মে ২০১৫, ০৬:৩৯

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় গোমতী নদীতে মাটি ভরাট ও বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কুমিল্লার জেলা প্রশাসককে এই আদেশ বাস্তবায়ন করে এক সপ্তাহের মধ্যে অগ্রগতির প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়া ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জলাধার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়। এ বিষয়ে কি আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা হলফনামা আকারে ২৫ মে’র মধ্যে আদালতে দাখিল করতে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

 
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেয়। এছাড়া গোমতী নদীতে মাটি ভরাট বন্ধের ব্যবস্থা নিতে ‘বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা এবং এ নদী রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না— তা জানতে চেয়ে রুলজারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এ রুলের জবাব দাখিল করতে বলা হয়। ‘শত শত ট্রাক ব্যবহার করে গোমতী নদী ভরাট করা হচ্ছে’ শিরোনামে গত রবিবার একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মুরাদনগরের বাসিন্দা মনির হোসেন, তসলিম ও ফরহাদুল আলমের পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন। আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ ও রুলজারি করে।
 

আদেশের পর মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ আইন-১৯৯৫, জলাধার সংরক্ষণ আইন-২০০০ ও সংবিধানে পরিবেশ ধ্বংসকারী কার্যক্রম বন্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও স্থানীয় প্রশাসনের সামনেই গোমতী নদী ভরাট হচ্ছে। আড়াআড়ি বাঁধ দেয়া হচ্ছে। এটা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।