পড়বেন তো হাসবেন

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ১৯:৪৬

 

-এক চশমাওয়ালিকে ল্যাং মারতে যাইতেছিলাম। তার আগেই দেখি, ওর ল্যাং খাইয়া আমার চশমাখানা উধাও!

-বন্ধু পলাশরে কইলাম, ‘অমুকের জন্মদিনে কী উপহার দিমু?’

ও কইল, ‘ইটা দে।’

 

-‘ঘুষ খাওয়া হারাম।’ ঘুষ খেতে খেতে সর্বদা কই।

-আকাশ হাসে, বাতাস হাসে...

—কাতুকুতু দিলে তুমিও হাসবা, মনু।

-‘বাঁচবা না মইরা যাবা।’ ডাক্তার আমারে কইল।

তারে কইলাম, ‘আপনে তো মিয়া চিরকাল বাঁইচা থাকবেন!’

-মশারি খাটাই, তবু মশা ঢোকে। সেদিন মশারি খাটাই নাই, মশাও ঢোকে নাই।

-রমিজ তো পড়ালেখা-ই জানে না।

—তো, কীতা হইছে? তাই বইলা কি লিটলম্যাগের সম্পাদক হওয়া যাবি নানে!

-চোরের দশদিন, গৃহস্থের একদিনও না কেন?

-কারণ গৃহস্থ ইতিমধ্যে ফতুর হইয়া গ্যাছে গা!

-এক জায়গায় দেখলাম, ‘এইখানে ধূমপান নিষেধ।’

তারপর লেখা, ‘মদপান করা যাবে।’

-পুঁটি মাছ আনছি দেইখা বউ ঝামটা মারল, ‘চোখের মাথা খাইছ?’

মনে মনে কই, ‘আহা, তার মাথাটা যদি একবার মনের সুখে খাইতে পারতাম!’

 

-‘ছাব্বিশে মার্চ হইল বিজয় দিবস।’ কইল উঠতি এক দেশপ্রেমিক।

 -দেশকে ভালোবাসুন। তবে বিদেশে ঘুরে আসুন।

-জামাই রাগ কইরা চইলা যাইতাছে। বউ কইতাছে, ‘ওই হাসুইন্যার বাপ, ও আমার হাসুইন্যার বাপ... হালার পো হালা, কানে শুনতাছত্ না!’

-বস কইল, ‘ভাগো!’

আমিও বাপের বেটা। সদ্য চাকরি খুইয়ে, বউ-পোলাপান নিয়ে-শ্বশুড়বাড়িতে যাইতাছি।

‘আহা, কতদিন শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আব্বা-আম্মাকে দেখি না! তাদের হাতের ভালো-মন্দ খাই না!’

-‘দোকান বন্ধ।’ নোটিসটা দেইখাই নিজের দোকানটার দিকে নজর দিলাম। ওইটার সাটারটা কি খোলা না বন্ধ নাকি ইতিমধ্যেই লোকে দোকানের ভিতরের সেলসম্যানটারে দেইখা ফেলছে!

-‘মানুষের চাইতে ভয়ংকর কিসসু নাই।’ ভয়ে থরথর কইরা কাঁপতে কাঁপতে কইল ভয়ংকর ড্রাকুলা!