-এক চশমাওয়ালিকে ল্যাং মারতে যাইতেছিলাম। তার আগেই দেখি, ওর ল্যাং খাইয়া আমার চশমাখানা উধাও!
-বন্ধু পলাশরে কইলাম, ‘অমুকের জন্মদিনে কী উপহার দিমু?’
ও কইল, ‘ইটা দে।’
-‘ঘুষ খাওয়া হারাম।’ ঘুষ খেতে খেতে সর্বদা কই।
-আকাশ হাসে, বাতাস হাসে...
—কাতুকুতু দিলে তুমিও হাসবা, মনু।
-‘বাঁচবা না মইরা যাবা।’ ডাক্তার আমারে কইল।
তারে কইলাম, ‘আপনে তো মিয়া চিরকাল বাঁইচা থাকবেন!’
-মশারি খাটাই, তবু মশা ঢোকে। সেদিন মশারি খাটাই নাই, মশাও ঢোকে নাই।
-রমিজ তো পড়ালেখা-ই জানে না।
—তো, কীতা হইছে? তাই বইলা কি লিটলম্যাগের সম্পাদক হওয়া যাবি নানে!
-চোরের দশদিন, গৃহস্থের একদিনও না কেন?
-কারণ গৃহস্থ ইতিমধ্যে ফতুর হইয়া গ্যাছে গা!
-এক জায়গায় দেখলাম, ‘এইখানে ধূমপান নিষেধ।’
তারপর লেখা, ‘মদপান করা যাবে।’
-পুঁটি মাছ আনছি দেইখা বউ ঝামটা মারল, ‘চোখের মাথা খাইছ?’
মনে মনে কই, ‘আহা, তার মাথাটা যদি একবার মনের সুখে খাইতে পারতাম!’
-‘ছাব্বিশে মার্চ হইল বিজয় দিবস।’ কইল উঠতি এক দেশপ্রেমিক।
-দেশকে ভালোবাসুন। তবে বিদেশে ঘুরে আসুন।
-জামাই রাগ কইরা চইলা যাইতাছে। বউ কইতাছে, ‘ওই হাসুইন্যার বাপ, ও আমার হাসুইন্যার বাপ... হালার পো হালা, কানে শুনতাছত্ না!’
-বস কইল, ‘ভাগো!’
আমিও বাপের বেটা। সদ্য চাকরি খুইয়ে, বউ-পোলাপান নিয়ে-শ্বশুড়বাড়িতে যাইতাছি।
‘আহা, কতদিন শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আব্বা-আম্মাকে দেখি না! তাদের হাতের ভালো-মন্দ খাই না!’
-‘দোকান বন্ধ।’ নোটিসটা দেইখাই নিজের দোকানটার দিকে নজর দিলাম। ওইটার সাটারটা কি খোলা না বন্ধ নাকি ইতিমধ্যেই লোকে দোকানের ভিতরের সেলসম্যানটারে দেইখা ফেলছে!
-‘মানুষের চাইতে ভয়ংকর কিসসু নাই।’ ভয়ে থরথর কইরা কাঁপতে কাঁপতে কইল ভয়ংকর ড্রাকুলা!
