ধর্ম ও নীতিশিক্ষার ক্লাসে প্রশ্ন করেন স্যার,
‘ঘুষ কাকে বলে তোদের ভেতরে জানা আছে কার কার?’
জানলেও কেউ বলছে না কিছু, আছে সব চুপকরে
উদাহরণের সাহায্যে স্যা রবুঝিয়ে দিলেন পরে।
‘ধর কেউ যদি সারাবত্সর ফাঁকি দেয় লেখাপড়া
এগজাম এলে সব ফাঁকি তার ঠিক পড়ে যাবে ধরা!
পাস হবে কিনা এই নিয়ে ঠিক থাকবে সে ভয়ে ভয়ে
সেও যদি ধর পাস করে যায় অর্থের বিনিময়ে—
ভালো হয় সেটা? খুন করে যদি কেউ পেয়ে যায় ছাড়—
ঘুষটুষ দিয়ে—ব্যাপারটা হবে দুঃখ ও লজ্জার!
ঘুষ নয় শুধু টাকা ও পয়সা—অন্য কিছুও হয়
তার বিনিময়ে পাওয়া যায় যেটা পাওয়ার কথাই নয়।
ঘুষ হলো এক অন্যায় কাজ, সমাজের দেহে ক্ষত
আইন-কানুনেও ঘুষের জন্য সাজা আছে যথাযথ!
সেদিন বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে হতবাক মুশতারি
পুলিশে পুলিশে সয়লাব হয়ে গিয়েছে তাদের বাড়ি।
বাবাকে পুলিশ ধরতে এসেছে ঘুষগ্রহণের দায়ে
বাড়ির সবাই স্তব্ধ হয়েছে এই কষ্টের ঘায়ে!
বাবা ঘুষ খায় এরকম কিছু যায়নি কখনো ভাবা
বাবার সামনে গিয়ে বলে মেয়ে, ‘ঘুষ খাও তুমি, বাবা?
একদিন সব আঁধার কেটেছে রাত্রি হয়েছে ভোর,
বাবার দু’কানে আজও বেজে যায়, ‘বাবা তুমি ঘুষখোর?’
