অন্তরালে থাকা দেশান্তরী অভিমানী নভেরা চলে গেলেন। বহুল আলোচিত, একুশে পদকপ্রাপ্ত এই খ্যাতিমান শিল্পীর 'অন্তরাল, দেশান্তর, অভিমানে'র ২/৩টি কারণ নানাভাবে জানা গেছে। যেমনঃ
প্রথমতঃ “১৯৫৮ সালে সামরিক আইন জারি হলে শহীদ মিনারের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে শহীদ পাক-হানাদার বাহিনী শহীদ মিনার সম্পূর্ণ গুড়িয়ে দেয়। স্বাধীনতার পর যখন আবার শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় তখন মূল নকশার অনেক কিছু বাদ পড়ে। বাদ পড়ে যায় নভেরা আহমেদের ভাস্কর্য দুটি।” (তথ্যসূত্রঃ দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫)।
দ্বিতীয়তঃ শিল্পী হামিদুর রহমানের সঙ্গে তাঁর গভীর 'ঘনিষ্ঠ' সম্পর্ক ছিলো। তারা একঙ্গে শহীদ মিনারের মূল নকশা নিয়ে কাজ করেছেন। হামিদুর রহমান হঠাৎ পারিবারিক ভাবে কলকাতার মেয়ে 'আশরাফ'কে বিয়ে করেন। এতে নভেরা মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। যা তার পক্ষে কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এই অভিমান, অন্তরাল, দেশান্তরী' জীবন বেছে নেন।
বছর দুয়েক আগে মন্ট্রিয়লে শিল্পী হামিদুর রহমানের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে শিল্পী হামিদুর রহমানের স্ত্রী 'আশরাফ' হামিদুর রহমানের সঙ্গে কথা হয়। দুই দফায় তার সাক্ষাতকার গ্রহন করা হয়। প্রথমে তাঁর সাউথ শোর বাসায়, পরে রাকীব-মনিকার কার্তিরের ভিলস্থ বাসায়। এক পর্যায়ে নভেরার রহস্যাবৃত এবং এক অজানা ধোঁয়াটে অধ্যায় জানতে চাইলে মিসেস আশরাফ প্রাসঙ্গিকভাবে খোলামেলা কিছু কথা বলেন। তা হলো, তাঁদের বিয়ের পর এবং পরবর্তী সময়ে নভেরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করতেন। কিন্তু হামিদুর রহমান নানা ভাবে এড়িয়ে যেতেন।
বিয়ের দু'এক দিনের মধ্যে নভেরা হামিদুর রহমানের বাসায় আসেন। এসে হামিদুর রহমানের উপহার দেয়া সমস্ত গয়না-গাটি ফেরত দিয়ে যান। তারপরও তারা লন্ডনে গেলে তিনিও বিদেশে পাড়ি দেন। এবং লন্ডনে হোটেলে ফোন করতেন, ষ্টুডিওতে আসার আগ্রহ দেখাতেন। কিন্তু হামিদুর রহমানের ছিলো অনাগ্রহ!
দ্বিতীয়তঃ শিল্পী হামিদুর রহমানের সঙ্গে তাঁর গভীর 'ঘনিষ্ঠ' সম্পর্ক ছিলো। তারা একঙ্গে শহীদ মিনারের মূল নকশা নিয়ে কাজ করেছেন। হামিদুর রহমান হঠাৎ পারিবারিক ভাবে কলকাতার মেয়ে 'আশরাফ'কে বিয়ে করেন। এতে নভেরা মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। যা তার পক্ষে কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এই অভিমান, অন্তরাল, দেশান্তরী' জীবন বেছে নেন।
বছর দুয়েক আগে মন্ট্রিয়লে শিল্পী হামিদুর রহমানের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে শিল্পী হামিদুর রহমানের স্ত্রী 'আশরাফ' হামিদুর রহমানের সঙ্গে কথা হয়। দুই দফায় তার সাক্ষাতকার গ্রহন করা হয়। প্রথমে তাঁর সাউথ শোর বাসায়, পরে রাকীব-মনিকার কার্তিরের ভিলস্থ বাসায়। এক পর্যায়ে নভেরার রহস্যাবৃত এবং এক অজানা ধোঁয়াটে অধ্যায় জানতে চাইলে মিসেস আশরাফ প্রাসঙ্গিকভাবে খোলামেলা কিছু কথা বলেন। তা হলো, তাঁদের বিয়ের পর এবং পরবর্তী সময়ে নভেরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করতেন। কিন্তু হামিদুর রহমান নানা ভাবে এড়িয়ে যেতেন।
বিয়ের দু'এক দিনের মধ্যে নভেরা হামিদুর রহমানের বাসায় আসেন। এসে হামিদুর রহমানের উপহার দেয়া সমস্ত গয়না-গাটি ফেরত দিয়ে যান। তারপরও তারা লন্ডনে গেলে তিনিও বিদেশে পাড়ি দেন। এবং লন্ডনে হোটেলে ফোন করতেন, ষ্টুডিওতে আসার আগ্রহ দেখাতেন। কিন্তু হামিদুর রহমানের ছিলো অনাগ্রহ!
কিন্তু নভেরা তার হৃদয়ে গেঁথে থাকা মানুষটিকে কখনো ভুলতে পারেননি। মিসেস রহমান সরাসরি এই কথা না বললেও তাঁর বক্তব্য থেকে এক অজানা নভেরাকে কিছুটা জানা যায়।
