প্রথম লক্ষ্য ফলোঅন এড়ানো

আপডেট : ০৮ মে ২০১৫, ০০:৫৬

বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের আশ্বস্ত করে খুলনা টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান ইমরুল কায়েস বলেছেন, প্রথম ইনিংসে টপ অর্ডার ব্যর্থ হলেও অসুবিধা নেই। আরো একটি ইনিংস আছে। সেটিতে থিতু হয়ে তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মিরপুর টেস্ট বাঁচানোর চেষ্টা করবেন।

 
গতকাল মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তানের ৫৫৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দল ২৭.৫ ওভারেই ১০৭ রান তুলতে পাঁচ উইকেট খুইয়ে বসে। এরপর নিয়ম মাফিক সাংবাদিক সম্মেলনে এসে কথা বলেন ওপেনার ইমরুল কায়েস।
 
তিনি আরো বলেন, ‘এখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য থাকবে ফলোঅন এড়ানো। তারপর আমরা যতদূর সামনে এগোতে পারি। এখনো আমাদের দ্বিতীয় ইনিংস আছে। আপনারা জানেন আগের টেস্টটা আমরা ব্যাকফুটে থেকে অনেক ভালো একটা জায়গায় গিয়েছিলাম। এই টেস্টে প্রথম ইনিংসে আমাদের টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়েছে, অসুবিধা নেই, পরের ইনিংস আছে। আমরা যদি থিতু হয়ে যাই, ম্যাচটা বাঁচানোর একটা চেষ্টা করব।’
 
পাকিস্তানের বোলিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওরা ভালো বোলিং করেছে, সুশৃঙ্খল বোলিং করেছে। তামিমের আউটটা একটা দুর্ভাগ্য। তা না হলে খেলার চেহারা অন্য রকম থাকতো। যা হওয়ার হয়ে গেছে, এটা নিয়ে আর কিছু করার নাই। এখন আমাদের সামনের দিকে তাকাতে হবে।’
 
ম্যাচ বাঁচানোর সম্ভাবনা কতখানি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শেষ ম্যাচটাতেও (খুলনা) কিন্তু আমরা দুজন খেলোয়াড় একটা ভালো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলাম। ক্রিকেটে যে কোনো সময় যে কোনো কিছু ঘটতে পারে। এখনো বাইরে আমাদের ব্যাটসম্যান রয়েছে। সৌম্য (সরকার) আছে, এখনো সাকিব ব্যাট করছে। যেকোনো দুজন ব্যাটসম্যান যদি উইকেটে থিতু হয়ে যায়, ভালো করতে পারে, তাহলে দল ভালো একটা জায়গায় যেতে পারবে। পাঁচ উইকেট পড়ে গেছে, এটা নিয়ে চিন্তা করতে গেলে আরও পেছনে চলে যাব। আমাদের ইতিবাচকভাবে ভাবতে হবে।’
 
প্রথম দিনের মতো এদিনও বাংলাদেশের ফিল্ডারদের হাত ফসকে অনেক ক্যাচ পড়েছে। ক্যাচ মিস প্রসঙ্গে তার উত্তর— ভাগ্য সঙ্গে ছিল না। ক্যাচগুলো নিতে পারলে এত রান হতো না। মুমিনুলের আউট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সে এভাবে খেলেই রান পেয়েছে। আরো একটা ইনিংস আছে, সে হয়তো সেখানে বড় ইনিংস খেলবে।’ ব্যাটিংয়ে তাড়াহুড়ার কথা অস্বীকার করেন ইমরুল। তার মতে, ‘যে বলে যে শট খেলার সেটাই খেলছি। ওরা বাইরে বল দিয়েছে আমরা মেরেছি। এমন না ভালো বল করে ওরা উইকেট নিয়ে গেছে। দুয়েকটা ভালো বল হয়েছে, তাতেই উইকেট পড়েছে।’
 

একটানা ফিল্ডিং করার কারণে আপনারা ক্লান্ত ছিলেন বলেই কি এমনটি হয়েছে? দেড়শ ওভার ফিল্ডিং কোনো সমস্যা নয়। খুলনায় ১২০ ওভার কিপিং করে ব্যাট করছি। এক জন ব্যাটসম্যান যখন ক্রিজে যায় তখন যে ভুলে যায় কত ওভার ফিল্ডিং করেছে। তখন বলের দিকেই থাকে সব মনোযোগ।