টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ 'মানবপাচারকারী' নিহত

আপডেট : ০৮ মে ২০১৫, ১০:৩৮




কক্সবাজারের টেকনাফের সমুদ্র সৈকত এলাকায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' মানবপাচারকারী চক্রের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোররাত সাড়ে তিনটায় টেকনাফ মহেষখালী পাড়ার সমুদ্র সৈকত এলাকায় এই 'বন্দুকযুদ্ধে'র ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, শাহপারীরদ্বীপ বাজার পাড়ার মৃত সোলতান আহমদের ছেলে ধুলু হোসেন(৫৫), সাবরাং কাটাবনিয়ার আবদুল মাজেদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩০) ও হারিয়াখালীর কবির আহমদের ছেলে জাফর আলম(২৫)।

পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তিরা স্বরাষ্টমন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মানব পাচারের মামলাও রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, শুক্রবার ভোর রাতে সাগর পথে মানব পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পাচারকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ২০/২৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে প্রায় ৩০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। পরে পাচারকারীর অন্য সদস্যরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে শীর্ষ মানব পাচাকারি ধুলু হোসেন, জাফর আলম ও জাহাঙ্গীর আলমকে  গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

সেখানে কর্মরত চিকিৎসক নুরুল আলম দ্বীন, তাদের মৃত ঘোষণা করেন । এ ঘটনায় ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার, পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন, উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম ও কনস্টেবল আব্দুল বারি আহত হয়েছেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ওসি মো. আতাউর রহমান খোন্দকার আরো জানান, নিহত ধলু হোসেনের বিরুদ্ধে ২০ টি, জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আটটি ও জাফরের বিরুদ্ধে দুটি মানবপাচারের মামলা রয়েছে।

নিহতদের লাশ ময়না তদন্তের জন্যা কক্সবাজারে মর্গে পাঠানো হয়েছে।  মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় এলজি, ১০টি গুলির খোসা ও তিনটি তাজা গুলি উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।