কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পুলিশ ও ডাকাতদলের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খোরশেদ আলম ভুট্টো (৩৭) নামে এক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় দুই এসআইসহ পুলিশের চারজন আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশে তৈরী একটি বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলির খোসা, একটি রামদা ও তিনটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ফাসিয়াখালীস্থ রিংভং বনবিটের ভেতরে একদল দুর্বৃত্ত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় উপস্থিতি টের পেয়ে ১০-১২ জনের একদল ডাকাত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুড়ে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ৩৬ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। এ সময় পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় খোরশেদ আলম ভুট্টো (৩৭) নামে এক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় আহত এক পুলিশকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে গুলিবিদ্ধ ডাকাত ভুট্টোকে প্রথমে উপজেলা হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশে তৈরী একটি বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলির খোসা, একটি রামদা ও তিনটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার ডাকাত ভুট্টো উপজেলার পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের ফজরআলী সিকদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আহত চার পুলিশকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত ডাকাত খোরশেদ আলম ভুট্টোর বিরুদ্ধে থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও দস্যুতা আইনে পৃথক ছয়টি মামলা হয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্র আইনে, ডাকাতির প্রস্তুতি ও পুলিশকে আহত করার অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে।
