যশোরে স্বামী ও ননদের স্বামীসহ কয়েকজন মিলে এক নববধূকে (১৯) গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্র্রপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে ঘটনার দুদিন পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হাসপাতালে চিকিত্সাধীন মেয়েটি জানান, তিন মাস আগে মনিরামপুর উপজেলার আজাদ হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তার স্বামী তাকে নির্যাতন করে আসছিল। পনের দিন আগে স্বামী মারপিট করায় তিনি সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন। গত বৃহস্পতিবার স্বামী আজাদ ও তার ভগ্নিপতি লিটন তাকে বুঝিয়ে ননদের বাড়ি নরেন্দ্রপুরে নিয়ে যায়। রাতে খাবার পর স্বামী আজাদ ও লিটন যৌন উত্তেজক ওষুধ খায় এবং তাকেও জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ব্যর্থ হয়ে রাত একটার দিকে আজাদ, লিটনসহ তিনজন মিলে জোরপূর্বক বাড়ির পাশে মাঠে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আলমগীর কবির বলেন, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। যশোর কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকাদার আক্কাছ আলী বলেন, স্বামী ও স্বামীর ভগ্নিপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি। তবে এ ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার এখনও মামলা করেনি। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
