পুঁজিবাজারে টানা পঞ্চম দিনের মতো সূচক বেড়েছে। সোমবার উভয় পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৫৯৬ কোটি টাকা। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি টাকা।
উভয় বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৪৭ কোটি টাকা। এ লেনদেন গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল জ্বালানি খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ২৩ শতাংশ।
বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আগের দিনের মতো আজও বাজারে দর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বীমা কোম্পানিগুলো এগিয়ে ছিল।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে জনতা ইন্স্যুরেন্স। এছাড়া দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স এবং নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রবিবারের দর বৃদ্ধির পর আজও ঊর্ধ্বমূখী প্রবণতা ছিল। বাজার ভালো হওয়ার আশায় যারা এতদিন সাইডলাইনে ছিল তারা বিনিয়োগ করায় বাজারে সূচক বেড়েছে। দর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বীমা ও ব্যাংক খাত।
বিমা খাতের শেয়ারগুলোর দর বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। আর ব্যাংক খাতের শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। বাজারে দর বৃদ্ধির প্রবণতা থাকলেও বস্ত্র খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির দর পতন হয়েছে। এ খাতের শেয়ারগুলোর দর কমেছে আড়াই শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৭২ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৯৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বেশি।
লেনদেনকৃত ৩১৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৭টির, কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৪২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি ৮১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৫০টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭১টির কমেছে ৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের।
