শিক্ষক মারধরের ঘটনায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শুভ্র জ্যোতি টিকাদার এবং সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ কনকসহ চারজনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে তাদেরকে সকল ধরনের একাডেমিক (ক্লাস ও পরীক্ষা) কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন।
এছাড়া চার ছাত্রলীগ নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
গত ১২ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধী জামায়াত নেতা এম কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য করেন বুয়েটের মেক্যানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম।
এরই জের ধরে পরের দিন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতারা ওই শিক্ষককে তার অফিসে মারধর ও শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে। পরে এ নিয়ে তদন্ত কমিটি করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।
গত ১৮ ও ১৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট কমিটির জরুরি সভায় শুভ্র ও সাঈদকে আজীবন এবং প্রতীক দত্তকে দুই পর্বের জন্য এবং রাতুলকে হল থেকে বহিস্কার করা হয়।
এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন ওই চার শিক্ষার্থী। আবেদনকারীগণের পক্ষে আইনজীবী এম আমিনউদ্দিন শুনানি করেন।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল ও অন্তবর্তিকালীন আদেশ প্রদান করেন।
