নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় পোশাক কারখানার শ্রমিকবাহী একটি বাসে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। উপজেলার চরকামালদী বালুর মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাসের চালক, হেলপারসহ ৩-৪ জন জড়িত বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে বাসের হেলপার রুবেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ওই নারীর বরাত দিয়ে সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) খন্দকার আমিনুল ইসলাম জানান, রুপগঞ্জ উপজেলার ফকির পোশাক কারখানা থেকে সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ছুটি শেষে কর্মীদের নিয়ে শ্রমিকবাহী একটি বাস সোনারগাঁয়ের ধন্দী এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এর চালক ছিলেন চান্দু মিয়া।
ওই বাস থেকে বিভিন্ন জায়গায় একে একে সব কর্মী নেমে গেলে ২৫ বছরের ওই নারী কর্মী বাসের মধ্যে ঘুমিয়ে যায়। এ সময় বাস উপজেলার চরকামালদী বালুর মাঠ এলাকায় নিয়ে গিয়ে ওই বাসের চালক চান্দু মিয়া, হেলপার রুবেলসহ ৩-৪জনেরর একটি দল রাতভর বাসের ভিতরই পালাক্রমে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরে ওই নারী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ভোররাতে ধর্ষিতার জ্ঞান ফিরে আসলে পরিবারের লোকজনের কাছে ঘটনাটি জানান। পরিবারের লোকজন ওই নারীকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে ওই নারীর পরিবার ও এলাকাবাসী ঘটনাটি পুলিশে জানালে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে ধন্দী এলাকা থেকে এলাকাবাসী বাসের হেলপার রুবেলকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। রুবেল আড়াইহাজার উপজেলার দাবুরপুরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ধন্দী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
