নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় তিনদিন পর অপহৃত স্কুলছাত্র তুহিনের (০৭) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটায় উপজেলার বগাদি কান্দা পাড়া গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, নিজের বাবাকে মারধরের প্রতিশোধ নিতেই চাচাতো ভাই মাহফুজুল ইসলাম (১৭) এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। উপজেলার বগাদি গ্রামের কান্দাপায় তুহিনের লাশ উদ্ধারের আগে পুলিশ মাহফুজুল ইসলামকে আটক করেছে।
এদিকে এ ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের লোকজন। তারা বলছেন, ৯ মে তুহিন অপহরণ হলেও চারদিন ধরে পুলিশ রহস্যজনক কারণে মামলা রেকর্ড না করে অবহেলা করেছে।
আড়াইহাজার থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) তানভীর হোসেন জানান, উপজেলার বগাদি কান্দাপাড়া গ্রামের দন্ত চিকিৎসক নাছিরউদ্দীনের ছেলে খড়িয়া ব্র্যাক স্কুলের ২য় শ্রেণীর ছাত্র মাকসুদুল ইসলাম তুহিন (৭)। গত ৯ মে বিকালে মাঠে খেলা করতে গিয়ে অজ্ঞাত অপহরণকারীদের হাতে অপহৃত হয়। এ ব্যাপারে নাছিরউদ্দীন ৯ মে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগের তদন্ত চলছিল। এরই মধ্যে নাছিরউদ্দিনের ভাই বিল্লাল হোসেনের ছেলে মাহফুজুল ইসলাম অপহরণ হয়েছে এমন অভিযোগও করা হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে নরসিংদি হতে মাহফুজুল ইসলামকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্য মতে উপজেলার বগাদি কান্দা পাড়া গ্রামের মাহফুজুলের ঘরে একটি ড্রামে তুহিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। মাহফুজুল ইসলামের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কিছুদিন আগে তুহিন তার চাচা বিল্লাল হোসেনকে মারধর করেছিল। সেটার প্রতিশোধ নিতেই তুহিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ একটি ড্রামে ফেলে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, ৯ মে অপহরণ হলে ও মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করতে গোপনে তদন্ত করা হয়েছে।
