লোহাগড়ায় গৃহবধূ নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪

আপডেট : ১৩ মে ২০১৫, ০১:২৩

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালবরাত গ্রামের গৃহবধূ ববিতা খানমকে (২১) গাছে বেঁধে নির্যাতন মামলায় প্রধান আসামি সেনা সদস্য স্বামী শফিকুল ইসলাম, শ্বশুর ছালাম শেখসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়। তাদের সবাইকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 
গত সোমবার রাতে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে ববিতার শ্বশুর ছালাম শেখ, ভাসুর আবুল হাসান শেখ ও প্রতিবেশি নান্নু মোল্লাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামি ববিতার স্বামী সেনা সদস্য শফিকুল ইসলামকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করে নড়াইলে এনে আদালতে হাজির করা হয়। তবে মামলার আসামি ববিতার শাশুড়ি জিরিন আক্তার ও  ববিতাকে নির্যাতনের মূল হোতা আজিজুর রহমান আর্জুকে পুলিশ আটক করতে পারেনি।
 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল সকাল সাতটার দিকে ববিতার শশুরবাড়ি নড়াইলের শালবরাত গ্রামে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে ববিতার শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক লাঠিপেটাসহ নির্যাতন করা হয়। ববিতা জানান, স্বামী শফিকুলসহ তার বাবা ছালাম শেখ, মা জিরিন আক্তার, চাচা কালাম শেখ ও প্রতিবেশি নান্নু মোল্লাসহ অন্যরা ববিতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠিপেটা করেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ববিতাকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্বামী সিলেট সেনানিবাসের ৩৮ বেঙ্গলে কর্মরত ছিলেন। এদিকে, গৃহবধূ ববিতার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় ১০ মে জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তার চিকিত্সা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাকে  নির্দেশ দেয়া হয়।