থাইল্যান্ডের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানের কারণে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় মানব পাচারের রুটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন মিয়ানমার জলসীমায় অবস্থানের পর ট্রলারগুলো বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে পাচারকারীরা।
মঙ্গলবার বিকালে ও রাতে কোস্টগার্ড-বিজিবি সদস্যদের হাতে আটক হওয়া মালয়েশিয়াগামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন। টেকনাফ বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার হওয়া ১১৬ যাত্রীকে প্রায় ৫০ দিন আগে কক্সবাজার থেকে ট্রলারে করে নিয়ে যাওয়া হয়। এই দীর্ঘসময় ফিশিং বোটে ভাসমান অবস্থায় রাখা হয় তাদের। পরে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমারের জলসীমায় মালয়েশিয়াগামী যাত্রী বোঝাই আরো কিছু ট্রলার রয়েছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার বলেন, মালয়েশিয়াগামী ট্রলারগুলো এখন বাংলাদেশে ফিরছে।
সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা বলেন, এই ধরনের আরো কিছু ট্রলার বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে বলে শুনেছেন তারা। বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করলে এসব ট্রলারকে আটক করা হবে।
টেকনাফস্থ ৪২ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু জার আল জাহিদ বলেন, পাচারকারীরা বাধ্য হয়ে বাংলাদেশিদের ফেরত দিচ্ছে।
