জাতিসংঘের এশীয় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে সূচকের দিক থেকে কিছুটা অগ্রগতি হলেও অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান এখনও নিচের দিকে এবং একই অবস্থানে রয়ে গেছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সময়ে এ অঞ্চলের ১৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। এর আগে ১৯৯০-৯৯ সময়কালেও একই অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আইডিবি ভবনে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এসক্যাপের প্রধান কার্যালয় ব্যাংককসহ ৩৫টি দেশে একযোগে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক কেএএস মুরশিদ বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অপরিবর্তিত হলেও প্রতিবছর ছয় থেকে সাড়ে ছয় শতাংশ হচ্ছে। বিশ্বমন্দাসহ বিভিন্ন ধাক্কা ভালভাবেই সামাল দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। সামাজিক খাত ও নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক ক্ষমতায়নে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ ভাল করেছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলো যেমন প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন, গুণগত অবকাঠামো, মানসম্পন্ন শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জ্বালানি সক্ষমতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ভাল করতে পারেনি। তিনি বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ বা তার বেশি হতে হলে অবশ্যই বিনিয়োগ ২৭-২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ করতে হবে। বেসরকারি বিনিয়োগ এবং এফডিআই (সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ) বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে কমাতে হবে দারিদ্র্যতার হার ও বৈষম্য।
