ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চীন সফরে গিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সেখানকার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের বড় অংশ জুড়ে আছেন মোদী। চীনে টুইটার নিষিদ্ধ। টুইটারের চীনা ভার্সন উইবোতে অ্যাকাউন্ট খুলে চীনা তরুণ প্রজন্মকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যে মোদীর সেই অ্যাকাউন্টে ফলোয়ার জুটে গেছে ৫০ হাজারের বেশি। চীনের তরুণ প্রজন্ম মোদীকে তাদের টুইটারে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে এবং মোদীর কাছে বিভিন্ন দাবিও তুলেছে। কেউ কেউ বেশ কঠোর ভাষায় কথা বলেছে আবার কেউ কেউ বন্ধুসুলভ ভাষায় উল্লেখ করেছে মোদীর এই সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে বিরাট পরিবর্তন আনতে পারে।
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে এর আগেও বৈঠক করেছেন মোদী। মিডিয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দু’জনের মধ্যকার ‘কেমিস্ট্রি’ বেশ ভালো। ভারতীয় মিডিয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে চীনা প্রেসিডেন্ট মোদীর সঙ্গে যতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন অন্যদের সঙ্গে ততটা করেননি বলে মনে হচ্ছে। জিনপিং গত সেপ্টেম্বরে ভারত সফর করেন। তখনও মোদীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন দিল্লি-বেইজিং সম্পর্কে নবদিগন্ত আসন্ন। এর আগে চীন কখনো ভারতের ব্যাপারে এতটা উচ্ছ্বাস দেখায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদী যেভাবে চীনা নেতাদের ভারতের প্রতি আগ্রহী করে তুলছেন তাতে অদূর ভবিষ্যতে চীনকে ‘টেক্কা’ দিতে সক্ষম হবেন তিনি।
