ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আল-মামুন (৪২) নামে এক যুবলীগ নেতা খুন হয়েছেন। শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলার বিটঘর গ্রামে তিনি নৃশংসভাবে খুন হন। আল-মামুন বিটঘর ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা ও ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের খালা রীনা আক্তারকে (৫৫) আটক করেছে।
আল-মামুনের বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারনা, খালাতো ভাইদের সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরেই আল-মামুন খুন হয়েছেন।
এলাকাবাসীর ধারনা, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নিহতের খালাত ভাই জুয়েল, মিঠুসহ ৮/১০ জন শুক্রবার রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আল-মামুনকে হত্যা করে।
এলাকাবাসী জানায়, লাশ বাড়ি থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে বিটঘর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ির বালাখালার পিছনে ছাইয়ের স্তূপে লুকিয়ে রাখা হয়। তারা লাশ দেখতে পেয়ে রাতেই পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। লাশের শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।
শিবপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবু কাউছার খুনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘লাশের শরীরের বিভিন্ন অংশে ২০/২৫টি দায়ের কোপ ছিলো। এ ঘটনায় মামুনের খালাকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
