দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিমুখী সহযোগিতা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক সভা রবিবার ঢাকার একটি হোটেলে শুরু হতে যাচ্ছে। উত্তর এবং দক্ষিণের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার ৭১জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণে দু’দিনব্যাপী সভার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের সভাটির প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন কার্যসূচিতে দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিমুখী সহযোগিতা: দক্ষিণের উন্নয়নে অর্থায়ন এবং প্রযুক্তির বিনিময়’।
শনিবার এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, দক্ষিণ-দক্ষিণ সম্পর্কের বিষয়টি নতুন নয়। দক্ষিণের দেশগুলোর উন্নয়নে এ ধরনের সম্পর্ক বহু পুরোনো। সকলের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে দারিদ্র্য মুক্ত করা। সেটি সম্ভব না হলেও চরম দারিদ্র্য পরিস্থিতি আর থাকবে না।
তিনি আশাপ্রকাশ করে বলেন, ২০১৮ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ দারিদ্র্র্য মুক্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন- দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সভাপতি একে আব্দুল মোনেম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন।
মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন জানান, বর্তমান ও আগামী দিনের উন্নয়ন চাহিদার আলোকে দক্ষিণ-দক্ষিণ ও ত্রিমুখী সহযোগিতা-উন্নয়ন, অর্থায়ন এবং প্রযুক্তির হস্তান্তর কিভাবে আরো সম্প্রসারিত করা যায় তার উপায় উদ্ভাবনে কাজ করার লক্ষ্যে উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশের মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্র্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগি সংস্থার প্রতিনিধি এবং পেশাজীবীগণ এ সভায় মিলিত হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও ইউএনডিপি এবং ইউএন অফিস ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন যৌথ ভাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে। সভায় অর্জিত ফলাফল আগামী জুলাই-২০১৫তে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠেয় তৃতীয় আন্তর্জাতিক দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা বিষয়ক সম্মেলনে উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়।
