সোনারগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৫০

আপডেট : ১৭ মে ২০১৫, ০০:১১

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। এসময় অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কপপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুরে বারদী ইউনিয়নের দৌলরদী গ্রামে এক বিয়ে বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়ে তুচ্ছ ঘটনায় ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জহিরুল হকের সাথে একই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে মারামারি শুরু হলে বিয়ে বাড়িতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
 
শুক্রবারের ওই ঘটনার জের ধরে গতকাল শনিবার সকালে আবারো নতুন করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দুপুর পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। এসময় জহির ও কামাল গ্রুপের শত শত লোকজন টেঁটা, শাবল, বল্লম, রামদা, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলায় দৌলরদী, সেনপাড়া, চৌধুরীপাড়া,  জ্যোতিবসুর বাড়ি ও বারদী বাজার এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়ি-ঘরে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
 
সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাছের ভূঁঞা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বারদী এলাকায় অতিরিক্ত র্যাব, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।