আজকাল উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মতো আমাদের দেশেও বিভিন্ন খাবার যেমন— সবজি, ফল কিংবা মাছ ক্যানড ফুড হিসেবে সহজলভ্য। বিভিন্ন খাবার অনেক দিন সংরক্ষণ করার উপায় হিসেবে ক্যানড ফুডের প্রচলন। এ উপায়ে খাবারের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে দীর্ঘ দিন ধরে সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু অনেকে ভেবে থাকেন, ক্যানড ফুড কম পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হয়ে থাকে, যা সব সময় সত্য নয়। এ প্রক্রিয়ায় খাবারের বেশিরভাগ পুষ্টিগুণই অক্ষুণ্ন থাকে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট কিংবা ফ্যাট কোনোটিই নষ্ট হয়ে যায় না ক্যানড ফুডের প্রসেসিং-এর প্রক্রিয়ায়। বিভিন্ন খনিজ উপাদান এবং ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে অক্ষুণ্ন থাকে এ প্রক্রিয়াজাত খাবারে।
তবে কিছু কিছু গবেষণায় দেখা যায়, কিছু ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি এবং বি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এ ক্যানড ফুড-এ। এ সব খাবার গ্রহণের পূর্বে নিশ্চিত হতে হবে যেন খাবারটি বিপিএ (বিস ফেনল-এ) মুক্ত কিনা। কারণ ক্যানড ফুড প্যাকেজিং এর সময় যদি বিপিএ ব্যবহার করা হয় তা হলে খাবারের সংস্পর্শে আসতে পারে। যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ
