পলান সরকারের বাড়ির সামনে সরকারিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘পলান সরকার পাঠাগার’। তার এক কোণায় পলান সরকারের স্ত্রীর কবর। সেই কবরের পাশেই চির নিদ্রায় শায়িত হলেন একুশে পদক প্রাপ্ত ‘আলোকিত মানুষ’ পলান সরকার। গতকাল শনিবার সকালে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
তাকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পিতা শামসুদ্দিন ও বাউসা ইউনিয়ন পরিষদ-সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ। এর আগে বাউসা গ্রামে তার প্রতিষ্ঠিত হারুন-অর রশিদ শাহ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন এই স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি। জানাজায় উপস্থিত হয়ে স্মৃতিচারণ করেন জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের, জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ পিপিএম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাবা মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাবলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল ও দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক আবুল কালাম মুহাম্মদ আজাদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরের হাট এতিমখানার পরিচালক সাদা মনের মানুষ শামসুদ্দিন সরকার, বাঘা পৌরসভার মেয়র আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক মেয়র আক্কাছ আলী, বাউসা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, শিক্ষক সমাজ ও বাঘা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। জানাজার আগে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পিতা ‘পলান সরকার স্মৃতি পাঠাগার’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। একই সাথে আলোকিত এই মানুষটির স্মৃতি ধরে রাখতে তার প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।
