একদিন আগেই দুই বছরের জন্য এই সত্ত্ব কিনে নিয়েছিলো টপ অব দ্য মাইন্ড। বৃহস্পতিবার এই প্রতিষ্ঠানটি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সংবাদ সম্মেলন করে জানালো, আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হয়েছে মোবাইল অপারেটর রবি।
৪১ কোটি ৪১ লাখ টাকায় বিসিবির কাছ থেকে সত্ত্ব কিনেছিল টপ অব মাইন্ড। কিন্তু তারা কতো টাকায় বিক্রি করেছে রবির কাছে; সেটা গোপনই রাখল সব পক্ষ। তবে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানালো, ৫১ কোটি টাকায় দু পক্ষের এই সমঝোতা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির মার্কেটিং এন্ড কমার্শিয়াল কমিটির চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে স্পন্সর হিসেবে রবির নাম ঘোষণা করেন।
বুধবার জাতীয় দলের স্পন্সরশীপ স্বত্ব টেন্ডারের মাধ্যমে পেয়েছিল মিডিয়া এজেন্সি টপ অব মাইন্ড। যা তারা বৃহস্পতিবার রবির কাছে হস্তান্তর করে। চুক্তি অনুযায়ী আইসিসি টুর্নামেন্ট ছাড়া জাতীয় দল, মহিলা দল, অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও বাংলাদেশ ‘এ’ দলের স্পন্সর থাকবে রবি।
সংবাদ সম্মেলনে রবির চিফ অপারেটিং অফিসার মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘টাইগারদের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় শামিল হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। রবি বিশ্বাস করে মানুষ তার অন্তর্নিহিত শক্তি বা ক্ষমতা দিয়ে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় যে কোনো বাধা জয় করতে পারে। আমরা মনে করি, দক্ষতা, সততা এবং কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে দুনিয়ার যে কোনো শক্তির মোকাবেলা করার যে অনন্য নজির তুলে ধরেছে আমাদের টাইগাররা সেটাই আপন শক্তিতে জ্বলে ওঠার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।’
টপ অব মাইন্ডের সিইও জিয়াউদ্দিন আদিল বলেন, ‘আশা করি বাংলাদেশ দল এবারও ভালো করবে। যেভাবে জয়ের ধারায় আছে বাংলাদেশ দল তাতে আগামী সিরিজেও ভালো খেলবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে।’
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস ও মার্কেটিং এন্ড কমার্শিয়াল কমিটির চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ ধন্যবাদ জানান রবি ও তারা টপ অব মাইন্ডকে। এছাড়া তারা আশা প্রকাশ করেন রবি ভবিষ্যতে নানাভাবে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেট কমিউনিকেশন খন্দকার আশরাফুল হক ও বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।
উল্লেখ্য, টপ অব মাইন্ড ৪১ কোটি ৪১ লাখ টাকায় স্পন্সরশিপ স্বত্ব পেয়েছিল। যা তারা বিক্রি করেছে রবির কাছে।
এ বছরই আর্থিক অসঙ্গতিতে থাকা সাহারার সঙ্গে চুক্তির ১৫ মাস বাকী থাকতেই চুক্তি শেষ করে দেয় বিসিবি। যে সময় ধরে তারা প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে টাকা পাচ্ছিল না, সে পরিমান ব্যাংক গ্যারান্টি ছিলো বলে কোনো লোকসানে পড়তে হয়নি বিসিবিকে।
