আখচাষিদের ভর্তুকির জন্য ২৮ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে

আপডেট : ২২ মে ২০১৫, ১২:১৭

বাংলাদেশের চিনিকলগুলো রক্ষায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষকদের আখ চাষে উত্সাহিত করতে সরকার আগামী মাড়াই মৌসুম থেকে প্রতি কুইন্টাল আখের দাম ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৭৫ টাকা করেছে। এছাড়া আখচাষিদের জন্য সরকার পাঁচটি খাতে ভর্তুকির জন্য ২৮ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী চিনিকল চত্বরে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন আয়োজিত এক বিশাল আখচাষি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আখচাষি ফেডারেশনের সহায়তায় পঞ্চগড় থেকে ফরিদপুর পর্যন্ত দেশের ১৫টি চিনিকলের শত শত আখচাষি সমাবেশে যোগদান করেন।

 
আমির হোসেন আমু দেশে চিনির বাজার স্থিতিশীল রাখাসহ দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই শিল্পের যুগান্তকারী ভূমিকার কথা উল্লে­খ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো এ পর্যন্ত শুল্ক, মূসক ও আয়কর বাবদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে।
 
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম কমায় আমাদের দেশেও প্রতি কেজি চিনির দাম ৬০ টাকা থেকে কমতে কমতে ৩৭ টাকায় নেমে এসেছে। চিনির দামের সাথে সামঞ্জস্য রাখলে আখের দামও কমে যাওয়ার কথা; কিন্তু আমাদের কৃষিবান্ধব সরকার আখচাষিদের স্বার্থ ও সুবিধা বিবেচনায় আখের দাম ও ভর্তুকির খাত বাড়িয়েছে। গত ছয় বছর ধরে চিনি শিল্পের উন্নয়নে বেশ কয়েকটি প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
 
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একেএম দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন।
 

শাহরিয়ার আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছেন, দেশের কোনো শিল্প কারখানা বন্ধ হবে না- এটিই বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। তিনি আখের মানোন্নয়ন ও রিকভারী রেট বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন এবং চিনি আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর দাবি জানান।