১০ উপজেলায় ইভিএমে ভোট

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ২৩:১৯

আসন্ন তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের ১০টি উপজেলা নির্বাচনে ইলেকট্রোনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি সংসদীয় আসনে ইভিএম ব্যবহারের পর এবার বড় পরিসরে ব্যবহার করতে যাচ্ছে ইসি। উপজেলায় ইভিএম ব্যবহারের আইন থাকলেও এ সংক্রান্ত বিধিমালা না থাকায় প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের উপজেলায় ইভিএম ব্যবহার হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, আইনি জটিলতা না থাকলে প্রথম দুই ধাপেও ইভিএম ব্যবহার করার হতো। আইনি বাধা কেটে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের ৫টি করে জেলা সদর উপজেলায় ইভিএম ব্যবহার করা হবে। এ লক্ষ্যে কমিশন থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। সামনের পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাইদুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় ধাপে রংপুর সদর, মানিকগঞ্জ সদর, মেহেরপুর সদর, গোপালগঞ্জ সদর এবং কক্সবাজার সদর উপজেলায় পুরোপুরি ইভিএমে ভোট হবে। এ ছাড়াও ৩১ মার্চ চতুর্থ ধাপে বাগেরহাট সদর, ফেনী সদর, পটুয়াখালী সদর, মুন্সীগঞ্জ সদর এবং ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় ইভিএম ব্যবহূত হবে।

ইসির সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কমিশন যথেষ্ট সতর্ক থাকবে। আশা করি উপজেলায় ইভিএম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।  উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১৭ জুন চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় ইভিএম ব্যবহারের প্রচলন ঘটে।