এফবিসিসিআইয়ে মাতলুব আহমাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত

আপডেট : ২৬ মে ২০১৫, ০১:১০

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) নির্বাচনে নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমাদ বিনা প্রতিদ্ব্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন আর চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এ দুজনেরও কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন না। গতকাল সোমবার বিকালে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করেন নির্বাচন বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী আশরাফ।

 
মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচন বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, শনিবারের নির্বাচনে নির্বাচিত ৩২ জন ও মনোনীত ২০ জন পরিচালক নিয়ে পরিচালনা বোর্ড গঠিত হবে। নিয়মানুযায়ী এসব পরিচালকদের ভোটে ২০১৫-১৭ মেয়াদের জন্য সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় কথা। কিন্তু তিনটি পদেই একজন করে প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচন বোর্ড বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদেরকে বিজয়ী ঘোষণা করছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল হবে ২৮ মে। অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ১৬ জন ও চেম্বার গ্রুপ থেকে ১৬ জন  করে নির্বাচিত পরিচালক পেতে গত শনিবার ভোট গ্রহণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে মোট দুই হাজার ২০২ জন ভোটার ছিলেন। অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের এক হাজার ৭৬৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৫৩৩ জন। অন্যদিকে চেম্বার গ্রুপে ৪১৮ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। এ গ্রুপে ভোটার ছিলেন ৪৩৬ জন। অ্যাসোসিয়েশন ও চেম্বার গ্রুপ থেকে ১৬ জন করে পরিচালক নির্বাচিত করতেই ভোট দিয়েছেন তারা।
 
নির্বাচনে তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। আবদুল মাতলুব আহমাদের নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন পরিষদ অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপে ১৩টি পদে এবং চেম্বার গ্রুপে ১২টি পদে বিজয়ী হয়। এর বাইরে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ শুধু অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের ও স্বাধীনতা ব্যবসায়ী পরিষদ কেবল চেম্বার গ্রুপের প্রার্থী দিয়েছিল। ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ৩টি পদে এবং স্বাধীনতা ব্যবসায়ী পরিষদ ৪টি পদে বিজয়ী হয়। বিজয়ী ঘোষণা অনুষ্ঠানে আলী আশরাফ বলেন, এবার পরিচালনা পর্ষদে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয় হয়েছে। সবাই মিলে এফবিসিসিআইয়ে কাজ করে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
 
এফবিসিসিআই নব নির্বাচিত সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, নির্বাচনের আগেও ব্যবসায়ীরা সবাই একসঙ্গে ছিলেন, একসঙ্গে নির্বাচন করেছেন। এখনও একসঙ্গে কাজ করবেন।
 
সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, এফবিসিসিআইকে গতিশীল ও শিল্প-বান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এবার অভিজ্ঞ ও নতুন সবাই মিলে এফবিসিসিআইকে উন্নত পর্যায়ে একটি সুন্দর সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
 

মাহবুবুল আলম আগামীতে এফবিসিসিআইকে অর্থনৈতিক সংসদ হিসেবে দেখতে চান। গত ৪০ বছরে দেশের উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। ব্যবসায়ীদের কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করা হবে বলে জানান তিনি।