দক্ষিণ মানিকঞ্জের পুটাইল, ভাড়ারিয়া, হাটিপাড়া ও বলড়া ইউনিয়নবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। সড়ক সংস্কার ও পাকাকরণের অভাবে মাত্র সাড়ে ৪ কিলোমিটার সড়কে চলাচল উপযোগী না হওয়ায় প্রায় ১ লাখ মানুষের দুর্ভোগ এখন চরমে।
স্বাধীনতার পর পরই পুটাইল ইউনিয়নের পুটাইল বাজার হতে ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের বালিরটেক বাজার পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের অধীনে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। দক্ষিণ মানিকগঞ্জবাসীর একমাত্র উল্লেখযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম এ সড়কটি। সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে জেলা সদরে যেতে হয়। অথচ সড়কটি পাকা করা হলে দূরত্ব কমে মাত্র ৭ কিলোমিটার হবে।
গত ২৬ বছরেও সড়কটি সংস্কার বা পাকা করা না হওয়ায় উল্লেখিত ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়া কৃষক তার উত্পাদিত ফসল জেলা সদর বা আশপাশের ইউনিয়নের হাট-বাজারে সরবরাহ করতে পারছে না।
ফলে কৃষক তার উত্পাদিত ফসলে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। ১৯৮৮ সালের বন্যায় রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে যায় এবং খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এ ভাঙ্গা এবং খানাখন্দ সড়কে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারলেও রিকশা বা ভ্যান কোনভাবেই চলাচল করতে পারছে না।
মানিকগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর বারেক হাওলাদার বলেন, চলতি অর্থ বছরে রাস্তাটি উন্নয়নের পরিকল্পনা নেই। আগামী অর্থ বছরে (আগামী জুলাই মাসের পর) গুরুত্ব দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা হবে।
